গুগল পে থেকে জোম্যাটো: কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ও অ্যাপ থেকে শ্রদ্ধা ওয়াকার খুনে সূত্র বের করল পুলিশ
শ্রদ্ধা ওয়াকার খুনে তদন্ত চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ। গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলিও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। শ্রদ্ধার শরীরের বাকি অংশ কোথায় ফেলে হয়েছে আৎ কীভাবে আফতাব পুনাওয়ালা এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছ
শ্রদ্ধা ওয়াকার খুনে তদন্ত চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ। গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলিও খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। শ্রদ্ধার শরীরের বাকি অংশ কোথায় ফেলে হয়েছে আৎ কীভাবে আফতাব পুনাওয়ালা এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছিল, তাও লিপিবদ্ধ করতে চাইছে দিল্লি পুলিশ।

হত্যা রহস্য সমাধানে বিভিন্ন মাধ্যম
তদন্তকারী আধিকারিকরা হত্যা রহস্য সমাধানে ফরেনসিক বিজ্ঞান, লাই ডিটেক্টরের সাহায্য নেওয়ার পাশাপাশি অন্য নানা পদ্ধতির সাহায্য নিচ্ছেন। এর মধ্যে রয়েছে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংগৃহীত ডেটা। দিল্লি পুলিশের তরফে রহস্য সমাধানে বেশ কয়েকটি মোবাইল অ্যাপ এবং সোশ্যা মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই আফতাবের ফোন বাজেয়াপ্ত করে সেখান থেকে সূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কোন কোন অ্যাপ ব্যবহার
আফতাব পুনাওয়ালার ফোনে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, গুগল, গুগল পে এবং পেটিএম-সহ বিভিন্ন অ্যাপ ডাউনলোড করা ছিল। দিল্লি পুলিশ এইসব অ্যাপ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগও করে। দিল্লি পুলিশের তরফে যোগাযোগ করা হয়েছিল ডেটিং অ্যাপ বাম্বল এবং ফুড ডেলিভারি অ্যাপ জোম্যাটোর কাছেও।

কীভাবে রহস্যের সমাধান
বাম্বল, জোম্যাটো এবং পেটিএম-এর কাছ থেকে তথ্যও পেয়েছেন দিল্লি পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেখান থেকে তাঁরা জানতে পেরেছেন, শ্রদ্ধাকে হত্যার পরে ফ্রিজে কাটা অংশ থাকতেই, আফতাব অন্য মহিলাদের তার ফ্ল্যাটে এনেছিল।
শ্রদ্ধা ওয়াকারের লিভ ইন পার্টনার ফোনের হিস্ট্রি থেকে যাবতীয় তথ্য মুছে ফেলেছিলেন। কিন্তু পুলিশ গুগলের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেই তথ্য পুনরুদ্ধার করে। সেখান থেকে পুলিশ জানতে পারে আফতাব খুনের অভিযোগ থেকে বাঁচতে মৃতদেহ নিয়ে কোন কোন পথে যেতে চেয়েছিল।
এছাড়া ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম শ্রদ্ধা ও আফতাবের পুরনো বেশ কিছু চ্যাট উদ্ধারে সাহায্য করেছে। কেননা আফতাব শ্রদ্ধাকে খুনের পরেও দেখাতে চেয়েছিল সে ভাল আছে।

বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আফতাব
বর্তমানে শ্রদ্ধা ওয়াকারের খুনী আফতাব পুনাওয়ালা রয়েছে দিল্লি পুলিশের হেফাজতে। শ্রদ্ধার হত্যা রহস্য সমাধানে পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা ছাড়াও নারকো টেস্ট করাতে চলেছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications