একেবারে ভুল তথ্যে ভরা! বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ভারতের অবস্থান নিয়ে বার্তা মোদী সরকারের
বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে (গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স বা জিএইচআই) ভারতের অবস্থান পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার নীচে। সেই রিপোর্টকেই এবার খারিজ করে দিল কেন্দ্র। বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংস্থানের ছবিটা ঠিক কি অবস্থায় সেটিই তুলে ধরা হয় এই রিপোর্টে। আ
বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে (গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স বা জিএইচআই) ভারতের অবস্থান পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার নীচে। সেই রিপোর্টকেই এবার খারিজ করে দিল কেন্দ্র। বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংস্থানের ছবিটা ঠিক কি অবস্থায় সেটিই তুলে ধরা হয় এই রিপোর্টে। আর সেই সূচকে ১২১টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ১০৭-এ।

আর এই সমীক্ষার ফল প্রকাশ্যে আসার পর কেন্দ্রীয় নারী এবং শিশু কল্যাণমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে এটি একটি ভুল সমীক্ষা। চারটি মাপকাটির মধ্যে তিনটি শিশুদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত। যা দিয়ে গোটা দেশের জনগনের অবস্থা বিচার করা যায় না। এমনটাই বলছে মন্ত্রক।
তবে চতুর্থ মাপকাঠি সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। একেবারে অপুষ্ঠিতে ভুগছে এমন বিভাগের জন্যেই এই মাপকাঠি বলেও দাবি করা হয়েছে। আর সেক্ষেত্রেই মাত্র তিন হাজার জনকে নিয়ে সমীক্ষা চালানো হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর দাবি মোদী সরকারের। অন্যদিকে গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স বা জিএইচআই রিপোর্ট একেবারে ভুল তথ্যে ভরা বলে উল্লেখ করেছে কেন্দ্র।
তাঁরা বলছে, এর মাধ্যমে ভারতের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হয়। আর তাতে জনগনের খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা হয় না বলেও দাবি। কেন্দ্রের আরও দাবি, এই সমীক্ষার সঙ্গে বাস্তবের কোনও সম্পর্ক নেই। শুধু তাই নয়, করোনা পরিস্থিতিতে নরেন্দ্র মোদী যেভাবে খাদ্য সুরক্ষার কথা ভেবেছেন সেই বিষয়টিও একেবারে গ্রাহ্য করা হয়নি বলেও কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।
একেবারে একতরফা দৃষ্টিভঙ্গিতে ভারতের অবস্থা দেখা হয়েছে বলেও অভিযোগ। সাধারণত সার্ভে মডিউলে থাকে আটটি প্রশ্ন। তিন হাজার মানুষের উপর এই সমীক্ষা চালানো হয়। ভারতের বিপুল জনসংখ্যার মধ্যে এই সমীক্ষা সামান্য অংশের উপরেই হয় বলেই দাবি কেন্দ্রের। বলে রাখা প্রয়োজন, ২০২০-তে ভারত ১০৭ টি দেশের মধ্যে ৯৪ তম স্থানে ছিল।
২০২১-এ ভারত ১১৬ টি দেশের মধ্যে ছিল ১০১ তম স্থানে। আর ২০২২-এ ভারতের স্থান ১২১ টি দেশের মধ্যে ১০৭। ২০২২-এৎ নিরিখে ভারতের চার প্রতিবেশী শ্রীলঙ্কা ৬৪, নেপাল ৮১, বাংলাদেশ ৮৪ এবং পাকিস্তান ৯৯ তম স্থানে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ আফগানিস্তান রয়েছে ভারতের থেকে নিচে, ১০৯ তম স্থানে।
আর এই রিপোর্ট সামনে আসতেই একেবারে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়ে যায়। মোদী সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। যা নিয়ে একেবারে অস্বস্তিতে পড়ে যায় মোদী সরকার। আর এরপরেই বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে (গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স বা জিএইচআই) ভারতের অবস্থান নিয়ে বার্তা দিল মোদী সরকার।












Click it and Unblock the Notifications