দুই সপ্তাহের মধ্যে সকল ৪৫ উর্ধ্ব ব্যক্তির টিকাকরণ সম্পন্ন করা হোক! নির্দেশ কেন্দ্রের
আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৪৫ বছর ও তার উর্ধ্বের সবাইকে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হবে৷ এই আবহে এবার কেন্দ্রের তরফে নির্দেশিকা জারি করা হল, যেসব জেলায় করোনার বাড়বাড়ন্ত বেশ, সেখানে আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে সকল ৪৫ উর্ধ্ব ব্যক্তির টিটাকরণ সম্পন্ন করতে হবে। ক্রমেই দেশ জুড়ে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় চিন্তায় কেন্দ্র। এই পরিস্থিতে এবার টিকাকরণ নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি।

করোনার পরীক্ষা নিয়ে তৎপরতা দিল্লিতে
এদিকে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় দিল্লি বিমানবন্দরে যাত্রীদের ব়্যানডম পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল৷ দিল্লি সরকারের তরফে এমনটাই জানানো হয়েছে৷ তারা জানিয়েছে, যাঁরাই বাইরে থেকে আসছেন, তাঁদের করোনার পরীক্ষা করানো হচ্ছে৷ আজ থেকেই চালু করা হয়েছে এই নিয়ম৷ যাঁরা করোনা পজিটিভ হচ্ছেন, তাঁদের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হচ্ছে৷ এর পর রেল স্টেশন ও বাস টার্মিনাসেও একই ধরনের পরীক্ষা শুরু করা হবে৷

'করোনা পরিস্থিতি খারাপ থেকে আরও খারাপ হতে চলেছে'
করোনা পরিস্থিতি খারাপ থেকে আরও খারাপ হতে চলেছে৷ গতকালই রাজ্য়গুলিকে একথা জানিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার৷ কেন্দ্রীয় সরকারের এই মন্তব্য় অত্য়ন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ গতকাল নীতি আয়োগের সদস্য় (স্বাস্থ্য়) বিনোদ পল স্বীকার করে নেন, গত কয়েক সপ্তাহে করোনা পরিস্থিতি খুবই খারাপ হয়েছে৷ তারমধ্য়ে সবথেকে উদ্বেগ বাড়িয়েছে মহারাষ্ট্রের করোনা পরিস্থিতি৷ এরপরেই রয়েছে পাঞ্জাব, দিল্লি ও মধ্য়প্রদেশ৷ মহারাষ্ট্রের দৈনিক সংক্রমণের হার প্রায় ২৩ শতাংশ৷ রাজস্থান ও কর্নাটক নিয়েও কেন্দ্র সরকার যে উদ্বিগ্ন তাও জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে৷

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ
সরকারি ভাবে স্বীকার না করা হলেও অনেকেই মনে করছেন করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ইতিমধ্য়ে এদেশে ধাক্কা দিয়েছে৷ তাই চিন্তা বেড়েছে স্বাস্থ্য় কর্তাদের৷ গতকাল সব রাজ্য়ের মুখ্য় সচিবদের একটি করে চিঠি পাঠিয়েছেন স্বাস্থ্য় সচিব রাজেশ ভূষণ৷ সেখানে তিনি সংক্রমিতদের মৃত্য়ুহার কমানোর জন্য় বিশেষভাবে জোর দিতে বলেছেন৷

রাজ্যগুলিকে কড়া হওয়ার নির্দেশ
রাজেশ ভূষণের বক্তব্য়, সংক্রমিত ব্য়ক্তির কেন মৃত্য়ু হচ্ছে তা আগে খতিয়ে দেখতে হবে৷ যদি দেরি করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য় মৃত্য়ু হয় তাহলে জানতে হবে করোনা পরিস্থিতি নজরদারিতে কোথাও গাফিলতি আছে৷ এর পাশাপাশি এই পরিস্থিতিতে রাজ্য়গুলির কী কী করণীয় তাও জানানো হয়েছে ওই চিঠিতে৷ বলা হয়েছে, বেশি করে টেস্ট এবং করোনা পজিটিভ রোগীদের আইসোলেশনের ব্য়বস্থা করতে হবে৷ কোভিড প্রোটোকল যাতে নাগরিকরা মেনে চলে তার জন্য় রাজ্য়গুলিকে কঠোর হওয়ার কথা বলা হয়েছে৷ জানানো হয়েছে, মাস্ক না পরলে জরিমানা বা ওই ধরনের কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে৷












Click it and Unblock the Notifications