সবরকম পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত সেনা, লাদাখে চিনের নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা জেনারেল নারাভানের
সবরকম পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত সেনা, লাদাখে চিনের নির্মাণ নিয়ে কড়া বার্তা জেনারেল নারাভানের
লাদাখের পরিস্থিতি যে এখনও উত্তপ্ত তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে সেনা প্রধান জেনারেল নারাভানের বক্তব্যে। তিনি চিনকে রীতিমত সতর্ক করে বলেছেন লাদাখে নির্মাণ শুরু করেছে বেজিং। ভারতীয় সেনা সবরকম পরিস্থিতির জন্য তৈরি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য কয়েকদিন আগেই সেনা প্রধান বার্তা দিয়েছিলেন কেন্দ্রের উচিত চিনের সঙ্গে সীমান্ত চুক্ত পোক্ত করা। তালিবান শাসিত আফগানিস্তানের সঙ্গে চিনের সুসম্পর্ককে ইঙ্গিত করেই এই মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

লাদাখে নির্মাণ কাজ করছে বেজিং
লাদাখের দিকে এখনও নজর দিয়ে বসে রয়েছে বেজিং। সেনা প্রত্যাহারের প্রশ্ন তো নেই। উল্টে সেনা মোতায়েনের ব্যবস্থা আরও পোক্ত করছেন তিনি। সূত্রের খবর লাদাখে সেনা রাখার জন্য নির্মাণ করছে তারা। এলএসির খুব কাছেই এগুলি করছে তারা। আরাও বাহিনী মোতায়েনের জন্যই এগুলি করছে বেজিং এমনই খবর পাওয়া গিয়েছে। এলএসি বরাবর সেনাবিহিনী মজুত করার প্রক্রিয়াকে ভাল চোখে দেখছে না ভারত। গালওয়াল উপত্যকার সংঘর্ষের পর লাদাখ নিয়ে আরও বেশি সিঁদুরে মেঘ দেখতে পাচ্ছে ভারতীয় সেনা।

লাদাখ সফরে সেনা প্রধান
হঠাৎ করেই লাদাখ সফরে গিয়েছিলেন সেনা প্রধান জেনােরল নারাভানে। সেখানে ২ দিন ছিলেন তিনি। সেখানে ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেনা প্রধান বসেছেন, লাদাখে নির্মাণকাজ চালচ্ছে বেজিং চিনা বাহিনীর পোক্ত শিবির তৈরি করার জন্য। ভারত তাতে ডরায় না। সবরকম পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য লাদাখে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা। যে পরিস্থিতিই তৈরি হোক না কেন লাদাখে তার জবাব দিতে তৈরি আছে ভারতীয় সেনা। সেনা প্রধানের এই মন্তব্যের পরেই নতুন করে লাদাখ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।

শান্তি আলোচনা চলছে
এখনও শান্তি আলোচনা শেষ হয়নি ভারতে। অগস্ট মাসেই এলএসি বরাবর একাধিক জায়গা থেকে দুই দেশই সেনা সরানোর কাজ করেছে। লাদাখের গোগরা পয়েন্ট থেকে সেনা সরিয়ে নিয়েছে দুই দেশই। কিন্ত এখনও বেশ কিছু জায়গায় সেনা প্রত্যাহার করতে নারাজ বেজিং। তাই নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে। এখনও পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে ১২ দফায় আলোচনা হয়েছে। কিন্তু সমাধান সূত্র বেরোয়নি। ১৩ দফার বৈঠক খুব শীঘ্রই হবে বলে জানা গিয়েছে। এখন হটস্প্রিং এবং ডেলপাং, ডেমচক এলাকা নিয়ে আলোচনা চলছে দুই দেশের মধ্যে।

তালিবানদের সঙ্গে বন্ধুত্ব
এরই মধ্যে আবার চিন তালিবান শাসিত আফগানিস্তানের সঙ্গে সুম্পর্ক তৈরি করে ফেলেছে। তালিবনদের শাসনকে প্রথম চিনই স্বীকৃিত জানিয়েছিল। তালিবানদের সাহায্যেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চিন। ৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আফগানিস্তানের উন্নয়নে তালিবানদের দেবে বেজিং জানিয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন ওষুধ, ভ্যাকসিন, খাবার, শীতবস্ত্র দিয়েও তালিবানদের সাহায্য তরবে বলে জানিয়েছে বেজিং। তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে নাকি চিনের সামরিক বিমানও ওঠানামা করতে দেখা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications