Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

পাকিস্তান থেকে দেশে ফেরার পাঁচ বছর পর মহারাষ্ট্রে মাকে খুঁজে পেলেন গীতা

পাকিস্তান থেকে দেশে ফেরার পাঁচ বছর পর মহারাষ্ট্রে মাকে খুঁজে পেলেন গীতা

মানুষের চেষ্টা ও নিজের প্রতি বিশ্বাস কখনই তাঁকে নিরাশ করতে পারে না। আর সেটাই ঘটল গীতার ক্ষেত্রেও। মূক ও বধির মেয়ে গীতাকে মনে আছে?‌ যে ছোটবেলায় ভুল করে পাকিস্তানে চলে গিয়েছিল এবং প্রায় ১২ বছর পর ২০১৫ সালে ভারতে ফিরে আসে, সেই গীতা অবশেষে তাঁর পরিবারকে খুঁজে পেয়েছেন মহারাষ্ট্রে। গত ৫ বছর ধরে তিনি তাঁর পরিবারের খোঁজে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দৌড়ে বেরিয়েছেন।

পাঁচ বছর পর পরিবারের সঙ্গে মিলন

পাঁচ বছর পর পরিবারের সঙ্গে মিলন

পাকিস্তানের সংবাদপত্র দ্য ডন রিপোর্ট করেছে যে গীতার সঙ্গে পাকিস্তানের এক কল্যাণমূলক সংগঠনের যোগ রয়েছে এবং তারাই সম্প্রতি জানিয়েছে যে গীতা অবশেষে তাঁর পরিবারকে খুঁজে পেয়েছেন। তাঁর ভারতে ফেরার পাঁচ বছর পর ওই তরুণী তাঁর পরিবারকে পেলেন বলে জানা গিয়েছে। ডনের রিপোর্ট থেকে এও জানা গিয়েছে, বিলকিস ইধি, যিনি প্রয়াত আবদুল সত্তার ইধির স্ত্রী, তিনি বিশ্বের জনপ্রিয় ইধি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট চালান, যাঁর সঙ্গে গীতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন যে গীতা তাঁর আসল মাকে মহারাষ্ট্রে খুঁজে পেয়েছেন।

করাচি স্টেশনে গীতাকে উদ্ধার করা হয়

করাচি স্টেশনে গীতাকে উদ্ধার করা হয়

বিলকিস এ প্রসঙ্গে বলেন, '‌গীতার সঙ্গে আমার যোগাযোগ রয়েছে এবং এই সপ্তাহান্তে গীতা আমায় অবশেষে সুখবরটা দিল যে সে তার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে পেরেছে।'‌ বিলকিস আরও জানিয়েছেন যে গীতার আসল নাম রাধা ওয়াঘমারে এবং গীতা তাঁর প্রকৃত মাকে মহারাষ্ট্রের নাইগাঁওতে খুঁজে পেয়েছে।

মূক ও বধির গীতা পাকিস্তানে বিপথগামী হয়ে যায় ছোটবেলায় এবং বাড়ি ফেরার রাস্তা খুঁজে পায় না বা নিজেকে সাহায্য করতে অপারগ হয়। বিলকিস জানিয়েছেন যে তাঁরা তাকে করাচির রেল স্টেশনে খুঁজে পায় এবং তাকে আশ্রয় দেয়। সেই সময় বিলকিসের বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর। বিলকিস বলেন, '‌বেশ কিছু বছর ইধি সেন্টারে সে থাকে এবং আমি তার যত্ন নিতাম এবং প্রথমে আমরা তার নাম ফতিমা রেখেছিলাম পরে আমরা উপলব্ধি করি যে সে হিন্দু, তারপর তার নাম রাখা হয় গীতা। সে যেহেতু বলতে বা শুনতে পারে না তাই তার সঙ্গে সঙ্কেত চিহ্নের মাধ্যমে কথা বলতে হত, যা গীতা বুঝতে পারত।'‌

সুষমা স্বরাজের সাহায্য

সুষমা স্বরাজের সাহায্য

২০১৫ সালে গীতার গল্প সকলের সামনে আসে এবং সেই সময় ভারতের বিদেশ মন্ত্রী প্রয়াত সুষমা স্বরাজ গুরুত্ব সহকারে গীতার ঘটনাটি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করেন এবং তাঁকে ভারতে ফিরিয়ে আনেন। কিন্তু সেই সময় গীতা তাঁর পরিবারের খোঁজ পান না। বহু চেষ্টার পরও বরংবার তাঁর প্রকৃত পরিবার খুঁজতে ব্যর্থ হন গীতা।

ডিএনএ টেস্ট

ডিএনএ টেস্ট

বিলকিস জানিয়েছেন যে পাঁচ বছরের বেশি সময় পর গীতা ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে তাঁর প্রকৃত পরিবারকে খুঁজে পেয়েছেন। তিনি বলেন, '‌গীতা তাঁর মাকে চিনতে পেরেছেন এবং গীতা এখন তাঁর পরিবারের সঙ্গে নাইগাঁও গ্রামে বাস করছেন। গীতার বাবা কিছু বছর আগে মারা গিয়েছেন, তাই তাঁর মা মীনা আবার বিয়ে করেছেন।'‌ বিলকিস ইধি জানান যে তিনি খুব খুশি গীতা অবশেষে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পেরেছেন। বিলকিস গীতাকে তাঁর মেয়ের মতোই দেখতেন বলেই জানান। বিলকিস বলেন, '‌এতবছর পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা সত্যি খুব কঠিন বিষয়, বিশেষ করে গীতার মতো মেয়েদের ক্ষেত্রে।'‌

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+