নীতীশের রাজ্যে গান্ধী মূর্তি ভাঙচুর, নেপথ্যে কারা? তদন্তে শান পুলিশের
নীতীশের রাজ্যে গান্ধী মূর্তি ভাঙচুর, নেপথ্যে কারা? তদন্তে শান পুলিশের
বিজেপি শরিক নীতীশ কুমারের রাজ্যে তুলকালাম। বিহারের মোতিহারিতে রাতের অন্ধকারে কারা ভাঙচুর করেছে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি। মোতিহারির চরকা পার্কে চম্পারণ সত্যাগ্রহের শতবর্ষ উপলক্ষ্যে মূর্তিটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছি। সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখেন পার্কের মধ্যে মাটিতে পড়ে রয়েছে গান্ধীজির মূর্তিটি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা পুলিশে খবর দেন। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়।

রাজধানী পাটনা থেকে ১৮৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে পূর্ব চম্পারণ জেলা। সেখানে এই ঘটনায় নতুন কোনও অশান্তির গন্ধ পাচ্ছে পুিলশ। তাঁরা জানিয়েছেন ভালমতই ক্ষতি করা হয়েছে মূর্তিটিতে সেটা সেখানে পুনরায় স্থাপিত করা যাবে না। নতুন করে তৈরি করতে হবে। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেছে পুলিশ। কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মোতিহারির পুলিশ জানিয়েছে ইতিমধ্যেই একজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই সূত্র ধরেই জানার চেষ্টা হচ্ছে কারা এই ঘটনায় জড়িত রয়েছে।
পূর্ব চম্পারণ জেলার পুলিশ সুপার কুমার আশিস জানিয়েছেন, ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৫ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাবলিক প্রপার্টি আইনে জনসম্পদ নষ্ট করার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন সব রাজনৈতিক দলের সদস্যরা। ইতিমধ্যেই জেলা শাসক গান্ধীর মূর্তি নতুন করে তৈরির নির্দেশ দিয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শিরসত কপিল অশোক জানিয়েছেন, সেখানে নতুন করে গান্ধীজির মূর্তি বসানো হবে। এবং যাঁরা দোষী তাঁদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।
বিজেপির শরিকি রাজ্যে এমন ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গত কয়েক দিন ধরেই কর্নাটকে হিজাব বিতর্ক চরমে উঠেছে। এই নিয়ে গোটা দেশ উত্তাল হয়ে উঠেেছ। কাশ্মীর থেকে শুরু করে হায়দরাবাদ সর্বত্র হিজাব বিতর্কের পারদ চড়েছে। অবিজেপি রাজনৈতিক দলগুলিও এই নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। আসাদউদ্দিন ওয়েইসি থেকে শুরু করে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এমনকী মেহবুবা মুফতিও হিজাব নিয়ে সরব হয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications