গান্ধী জয়ন্তী: কোন ধরনের খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে নিজেকে ধরে রাখতেন মহাত্মা!
শুধু দেশ নয়, বিশ্ব জোড়া অহিংস আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত ছিলেন মহাত্মা গান্ধী। স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্নিগর্ভ সময় সত্যাগ্রহী এই বিপ্লবী একাধিক কঠিন উদ্যোগে ব্রতী ছিলেন। শুধুমাত্র স্বাধীনতার ইতিহাসই বলে দেয় , নিজের জীবনে গান্ধীজি মোট ১৭ টি অনশন আন্দোলনে অংশ নেন। এমন অগ্নিগর্ভ সময়ে আন্দোলন ও বিপ্লবের জেরে 'জাতির জনক' এর খাওয়া দাওয়ার অভ্যাসে ব্যাপক প্রভাব পড়েছিল। একনজরে দেখে নেওয়া যাক , গান্ধীজি কোন ধরনের খাওয়া দাওয়ার অভ্যাসে অভ্যস্ত ছিলেন?

কোন ধরনের খাওয়ার খেতেন 'বাপু'!
এক সর্বভারতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গান্ধীজি ৮ কেজি গম, ৮ কেজি মিষ্টি আমন্ডের পেস্ট খেতেন গান্ধীজি। সঙ্গে থাকত সবুজ শাক, ৬ টি টক লেবু। এতে ২ চামচ মধু দেওয়া হত। এই বিশেষ খাবারের একটা অংশ সকাল ১১ টা নাগাদ খেতেন তিনি। আর বাকি অংশ সন্ধ্যে ৬:১৫ নাগাদ খেতেন।

নুন ছাড়া খাবার
গান্ধীজির জন্য তৈরি হওয়া সমস্ত রান্নাতেই প্রায় নুন কম থাকত, নয়তো নুন দেওয়া হত না। শোনা যায়, ১৯১১ সাল থেকে নুন ছাড়া খাবার খাওয়ার অভ্যাস শুরু করেছিলেন গান্ধীজি। তবে ১৯২০ সালের পর থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শে ফের খাবারে নুন খাওয়া শুরু করেন তিনি।

৬ বছর ধরে দুধ খেতেন না
'দ্য মরাল বেসিস অফ ভেজিটেরিয়ানিজম' বইতে গান্ধীজির খাদ্যাভ্যাসের আরও একটি দিক উঠে আসে। জানা যায়, টানা ৬ বছর ধরে দুধ খাননি গান্ধীজি। এমন অবস্থার জেরে ১৯১৭ সালে ব্যাপক অসুস্থতার মধ্যে পড়ে যান গান্ধীজি। তবে তখনও কিছুতেই দুধ খেতে চাইতেন না তিনি। মোষ বা গরুর দুধে খানিক অনীহা জন্মেছিল দেশ নায়কের।

চিনি ছাড়া কাঁচা রান্না
জীবনের একটা সময় চিনি ছাড়া রান্না খেতে পছন্দ করতেন গান্ধীজি। তাঁর দাবি ছিল, ফল খেলেই সুস্থ থাকা য়ায়। অন্যদিকে, জল ও অগ্নির সংস্পর্শ ছাড়া যে খাবার তৈরি করা যায়, সেরকম কিছু রান্নাই খেতে পছন্দ করতেন গান্ধীজি।












Click it and Unblock the Notifications