চারা ঘোটালায় চতুর্থ মামলার দোষী লালু, সারাজীবন জেলে থাকা কি তবে নিশ্চিত
বিশেষ সিবিআই আদালত বৃহস্পতিবার চারা ঘোটালা বা পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত চতুর্থ মামলার রায়।
বিশেষ সিবিআই আদালত বৃহস্পতিবার চারা ঘোটালা বা পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত চতুর্থ মামলার রায় শোনাল আজ। এই মামলায় বিহারের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব, জগন্নাথ মিশ্র সহ ৩০জন অভিযুক্তের নাম তালিকায় ছিল। চারা ঘোটালা নিয়ে মোট ৬১টি মামলা করেছে সিবিআই। তার মধ্যে ৫৩টি বিহার থেকে ঝাড়খণ্ডে স্থানান্তরিত হয়েছে। ২০০০ সালের নভেম্বরে রাজ্য ভাগ হওয়াতেই এই বদল হয়েছে।

নতুন অভিযোগ
১৯৯৫-৯৬ সালে ডুমকা ট্রেজারি থেকে ৩.১৩ কোটি টাকা জাল উপায়ে তোলার অভিযোগে এই মামলা হয়। মামলার শুনানি ৫ মার্চ শেষ হয়েছে। ইতিমধ্যে সাড়ে ১৩ বছরের সাজা লালুর ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। এদিনের রায়ে পরে আদালত আর মোট কতবছরের সাজা ঘোষণা করে সেটাই এখন দেখার।

অস্তমিত লালু
পশুখাদ্য মামলায় সাজা পেয়ে ইতিমধ্যে লালুর রাজনৈতিক কেরিয়ার অস্তমিত। আগে তিনটি মামলাতেই তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এই মামলাতেও লালুর সাজা হল। এর জেরে প্রথমে ১৯৯৭ সালে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ খোয়ানো, তারপরে লোকসভা আসন হারানো ও পরে নির্বাচনে লড়া থেকে বিরত থাকা এবং সবশেষে জেলে যেতে হয়েছে লালুকে।

যাবজ্জীবনের ফাঁড়া
লালুর বিরুদ্ধে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির মোট ৬টি মামলা রয়েছে। তার মধ্যে ৩টিতে লালু সাজা খাটছেন। আজ একটির রায় ঘোষণা হল। বাকী থাকছে আরও দুটি মামলার রায়।

পুরনো সাজার বহর
২০১৩ সালে প্রথমবার লালুকে পাঁচ বছরের সাজা দেওয়া হয়। তারপরে গত জানুয়ারি মাসে লালুকে ফের পাঁচ বছরের জেল ও ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তার আগেও ডিসেম্বরে লালুর সাড়ে তিন বছরের কারাবাসের সাজা হয়েছে। সবমিলিয়ে লালুর কারাবাসের সাজা সাড়ে ১৩ বছর।












Click it and Unblock the Notifications