সিপিআইএম-সিপিআই এখানেও '০'! নির্বাচনের আগে তৃণমূল-সহ ৪ জাতীয় দলের ভাণ্ডারের বেশিরভাগ পূর্ণ নির্বাচনী বন্ডে
হিমাচলে পরে গুজরাতের ভোট ঘোষণা না হলেও, রাজনৈতিক দলগুলি সেই সময়ের মধ্যে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে প্রায় ৫৪২ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। আরটিআই-এ প্রকাশ, ১ থেকে ১০ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচনী বন্ড বিক্রির ২২ তম সংস্করণে
হিমাচলে পরে গুজরাতের ভোট ঘোষণা না হলেও, রাজনৈতিক দলগুলি সেই সময়ের মধ্যে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে প্রায় ৫৪২ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। আরটিআই-এ প্রকাশ, ১ থেকে ১০ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচনী বন্ড বিক্রির ২২ তম সংস্করণে ৭৪১ টি নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ৫৪৫ কোটির বেশি ঘরে তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। এর মধ্যে ৭৩৮ টি ক্যাশবন্ডে তোলা হয়েছে ৫৪২ কোটির বেশি। এর আগে এই বছরের জুলাইয়ে ৩৮৯.৫০ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড বিক্রি করা বয়েছিল।

২০১৮ থেকে প্রায় ১১ হাজার কোটি সংগ্রহ
দেশে নির্বাচনী বন্ড চালু হয় ২০১৮ সালে। এর মধ্যে ২২ টি সংস্করণ হয়ে গিয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ ১০,৭৯১. ৪৭ টোকি টাকা। এর মধ্যে নগদে নির্বাচনী বন্ড বিক্রি করা হয়েছে, ১০,৭৬৭.৮৮ কোটি টাকার। ২৩.৫৯ কোটি টাকার বন্ড নগদে বিক্রি না হওয়ায় তা প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিলে সরিয়ে দেওয়া হয়।

কোন শহরে কত কোটির বন্ড বিক্রি
আরটিআই-এর জবাবে এসবিআই-এর তরপে জানানো হয়েছে, এসবিআইএ-র হায়দরাবাদ শাখা সব থেকে বেশি ১১৭ কোটি টাকার বন্জ বিক্রি করেছে। অন্যদিকে চেন্নাই শাখা বিক্রি করেছে ১১৫ কেটি টাকার মতো। এছাড়া গান্ধীনগর ৮১.৫০ কোটি, গিল্লি ৭৫.৭০ কোটি, কলকাতা ৭৬.১০ কোটি, মুম্বই ৪০.২৫ কোটি, জয়পুর ১৫.৭০ কোটি, চণ্ডীগড় ৪ কোটি, লখনৌ ৭ কেটি এবং বেঙ্গালুরু ৬ কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড বিক্রি করেছে।
এসবিআই-এর যেসব শাখা থেকে বন্ড নগদ করা হয়েছে, তার মধ্য দিল্লি রয়েছে সব থেকে ওপরে। সেখানে ২৮৫.১৫ তোটি টাকার বন্ড নগদ করা হয়েছে। তারপরেই রয়েছে কলকাতা ১৪৩.১০ কোটি, হায়দরাবাদ ৬৭ কোটি, গ্যাংটক ২ কোটি, চেন্নাই ১০ কোটি, ভুবনেশ্বর ৩৫ কোটি।

কোন দলের কত কোটি
অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ সালে বিজেপি, কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, এনসিপি এই চারটি জাতীয় দল এবং ১৪ টি আঞ্চলিক দল মিলে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে ৩৪৪১.৩১ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। চারটি জাতীয় দলের মোট আয়ের ৬২.৯২ শতাংশ অর্থাৎ ২৯৯৩.৮২ কোটি টাকা এসেছে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে। ২০১৯-২০ সালে শাসক বিজেপির আয় ৫০.৩৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩৬২৩.২৮ কোটি টাকা। এর বেশিরভাগই এসেছে নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে। তবে এক্ষেত্রে সিপিআইএম, সিপিআই এবং বিএসপি নির্বাচনী বন্ডের মাধ্যমে কোনও টাকা পায়নি।

সর্বোচ্চ আদালতে মামলা
আরটিআই-এর অপর এক প্রশ্নের উত্তরে এসবিআই জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ২৫ টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনী বন্ড নগদ করার জন্য তাদের অ্যাকাউন্ট খুলেছে। অন্যদিকে নির্বাচনী বন্ড নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে মামলাও চলছে। নির্বাচনী বন্ডের জন্য ২০১৭-র ফিনান্স অ্যাক্টের বিধানগুলিকে চ্যালেঞ্জ করে করা আবেদনের শুনানির জন্য ৬ ডিসেম্বর ধার্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট।












Click it and Unblock the Notifications