পিএনবির ঋণ মেটাতে পারেননি এই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীও, প্রয়াণের পর ঋণ শোধ স্ত্রীর
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীও ঋণ নিয়েছিলেন এই পিএনবি থেকেই। গাড়ি কেনার জন্য ৫০০০ টাকা ঋণ শোধ না করতে পেরেই তিনি মারা যান। তবে মৃত্যুর পর পেনশন থেকে সেই টাকা শোধ করেছিলেন তাঁর স্ত্রী।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীও ঋণ নিয়েছিলেন এই পিএনবি থেকেই। গাড়ি কেনার জন্য ৫০০০ টাকা ঋণ শোধ না করতে পেরেই তিনি মারা যান। তবে মৃত্যুর পর পেনশন থেকে সেই টাকা শোধ করেছিলেন তাঁর স্ত্রী ললিতা। জানিয়েছেন লালবাহাদুর পুত্র অনিল শাস্ত্রী।

হাজার হাজার কোটির প্রতারণা করে নিরুদ্দেশ হিরে ব্যবসায়ী নীরব মোদী। তিনি কবে এই ঋণ শোধ করবেন, কিংবা আদৌ করবেন কিনা তা কেউ জানে না। তবে জীবীত থাকার সময় গাড়ির কেনার জন্য এই পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক থেকেই ঋণ নিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী। হঠাৎ মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী ললিতা পেনশন থেকে সেই টাকা শোধ করেন।
লাল বাহাদুর পুত্র অনিল শাস্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি সেন্ট কলম্বিয়া স্কুলে পড়তেন। রিকশা করে স্কুলে যেতেন। স্কুলে যাওয়ার জন্য একবার বাবার অফিসের গাড়ি চেয়েছিলেন। কিন্তু তা দিতে রাজি হননি লাল বাহাদুর। ফলে বাবাকে গাড়ি কেনার জন্য চাপ দেওয়া শুরু হয়। স্মৃতি রোমন্থনে ১৯৬৪ সালের এই ঘটনার কথা জানিয়েছেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা অনিল শাস্ত্রী।
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব ভিএস ভেঙ্কটরমনের কাছ থেকে ছেলেরা জানতে পারেন নতুন ফিয়াট গাড়ির দাম ১২ হাজার টাকা। কিন্তু ব্যাঙ্কে ছিল ৭ হাজার টাকা। লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ঋণের জন্য আবেদন করেন। আবেদনের দিনেই ঋণের ৫ হাজার টাকা পেয়ে যান তিনি।

কিন্তু ঋণ নেওয়ার পরেই দেশ ও পরিবারে ধাক্কা আসে। ১৯৬৫ সালে ভারত পাকিস্তানের যুদ্ধ লেগে যায়। আর ১৯৬৬-র ১১ জানুয়ারি তাসখণ্ডে মারা যান শাস্ত্রী। কিছু দিন ঋণ অনাদায়ী থাকলেও মায়ের পেনশন থেকে সেই ঋণ শোধ করা হয় বলে জানিয়েছেন অনিল শাস্ত্রী।
১৯৬৪ সালের মডেলের ফিয়াট গাড়িটে এখনও রাখা রয়েছে রাজধানীর এক নম্বর মোতিলাল নেহরু মার্গের লাল বাহাদুর শাস্ত্রী মেমোরিয়ালে।












Click it and Unblock the Notifications