পিএমসি ব্যাঙ্ক প্রতারণা! এমডির নাম পরিবর্তনের সঙ্গেই বেড়েছে সম্পত্তির পরিমাণ
সাম্প্রতিক প্রতারণায় যে ব্যাঙ্কের নাম জড়িয়েছে সেটি হল পঞ্জাব অ্যান্ড মহারাষ্ট্র কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্ক। আর এই ব্যাঙ্কের ৪৩৫৫ কোটি টাকা প্রতারণায় অন্যতম অভিযুক্ত হলেন এই ব্যাঙ্কেরই প্রাক্তন এমডি জয় থম
সাম্প্রতিক প্রতারণায় যে ব্যাঙ্কের নাম জড়িয়েছে সেটি হল পঞ্জাব অ্যান্ড মহারাষ্ট্র কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্ক। আর এই ব্যাঙ্কের ৪৩৫৫ কোটি টাকা প্রতারণায় অন্যতম অভিযুক্ত হলেন এই ব্যাঙ্কেরই প্রাক্তন এমডি জয় থমাস। দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে পুনেয় তাঁর দশটি সম্পত্তি রয়েছে। যাঁকে বিয়ে করার পর তিনি ধর্ম পরিবর্তন করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরিবর্তিত নাম হয় জুনেইদ খান।

২০১২ সাল থেকে পুনেয় ১০ সম্পত্তি
২০১২ সাল থেকে জয় থমাস নটি ফ্ল্যাট এবং একটি দোকান কিনেছিলেন পুনের কোন্দা এবং অন্য জায়গায়। আর এই দশটি সম্পত্তিই জয় থমাস কিনেছিলেন তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে। যিনি কিনা এই ব্যাঙ্কেই কাজ করতেন এবং জয়েরই অ্যাসিস্ট্যান্ট ছিলেন।

অভিযুক্ত কোম্পানির প্রতারণা শুরু ২০১২ সাল থেকে
অর্থনৈতিক অপরাধ দমন শাখা তদন্ত করতে গিয়ে দেখেছে সম্পত্তিগুলি কেনা শুরু হয়েছিল ২০১২ সাল থেকে। সেই সাল থেকেই হাউজিং ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেডের রাকেশ এবং সারাং ওয়াধাওয়ান লোন শোধ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। বরং আরও ঋণ নিতে শুরু করেছিলেন তারা।

দ্বিতীয় বিয়ের আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ
সেই সময় কেনা জয় এবং তাঁর স্ত্রীর সেই সময় কেনা সম্পত্তির অর্থের উৎস খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এখনও পর্যন্ত কোনটিতে কার অংশ কত রয়েছে, তা এখনও বের করে উঠতে পারেননি তদন্তকারীরা। যেহেতু দুজনের নামে কেনা তাই তা বাজেয়াপ্ত করায় অসুবিধা। কিন্তু যদি প্রমাণ করা যায়, সেই টাকা এসেছিল প্রতারণার টাকা থেকে, তাহলে তা বাজেয়াপ্ত করায় সুবিধা হবে। জানিয়েছেন এক তদন্তকারী।
পুনেয় দশটি সম্পত্তি ছাড়াও, থানেতে থমাসের একটি ফ্ল্যাট এবং একটি বাণিজ্যিক সম্পত্তি রয়েছে। যা তাঁর ছেলে ও প্রথম স্ত্রীর নামে।
পুনেয় থাকা বেশির বাগ সম্পত্তিই জুনেইদ খান এবং তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর নামে কেনা। যিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। জয় থমাসের প্রথম পক্ষের স্ত্রী ডিভোর্সের মামলা দাখিল করেছিলেন অনেক আগে। যা ফাইনাল স্টেজে রয়েছে।

এখন পুলিশ হেফাজতে অভিযুক্ত প্রাক্তন এমডি
পিএমসি ব্যাঙ্ক প্রতারণায় যুক্ত থাকার অভিযোগে, ৪ অক্টোবর জয় থমাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরের দিনই তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়। আদালত তাঁকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
অন্যদিকে ইডি ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত এইচডিআইএল-এর হাতে থাকা ২১০০ একর জমি বাজেয়াপ্ত করেছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩৫০০ কোটি টাকা।












Click it and Unblock the Notifications