আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সিবিআই গ্রেফতার করল মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখকে
শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউতের সম্পত্তি ইডি বাজেয়াপ্ত করার পর সিবিআই–এর হাতে গ্রেফতার হলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অনিল দেশমুখ। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এর আগে কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দেশমুখের ব্যক্তিগত সচিব সঞ্জীব পালান্দে, তাঁর আপ্ত সহায়ক কুন্দন শিন্ডে এবং অ্যাসিট্যান্ট পুলিশ ইনস্পেক্টর শচীন বেজকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এর আগে বম্বে হাইকোর্ট অনিল দেশমুখের আবেদন খারিজ করে দেয়। দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তাঁর হেফাজত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল কিন্তু সেই আবেদনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অনিল দেশমুখ বিশেষ সিবিআই আদালতে যান। কিন্তু সেখানে সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। বিচারপতি ডেরে নির্দেশ দিয়েছেন যে আবেদনটি অন্য বেঞ্চে রাখা হোক। শুধু তাই নয় বম্বে হাইকোর্ট এই মামলায় দুই অভিযুক্তের অন্তর্বতীকালীন জামিনও খারিজ করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, এই দুই অভিযুক্তের ফোন আইপিএস অফিসার রশ্মিকা শুক্লা ট্যাপ করার পর তাঁর রিপোর্টে জানান যে এই দু’জন অবৈধ ট্রান্সফরমার পোস্টিং মামলার অংশ ছিল।
মুম্বই সেশন আদালত থেকে আগে এই দুই অভিযুক্তের অন্তর্বতীকালীন জামিন খারিজ করে দেওয়া হয়। ৪ এপ্রিল সোমবার বিশেষ আদালতে শুনানি চলাকালীন তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই অভিযোগ করেছে যে অনিল দেশমুখ ইচ্ছাকৃতভাবে সংস্থার হেফাজত এড়াতে চাইছিলেন। তাই তিনি নিজেকে সরকার পরিচালিত জেজে হাসপাতালে ভর্তি হন।এই হাসপাতালের অর্থপেডিক ওয়ার্ডে ভর্তি অনিল দেশমুখকে রবিবারই ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের নভেম্বরে অর্থ তছরূপ মামলায় ইডি এই এনসিপি নেতাকে গ্রেফতার করে। গত সপ্তাহে মুম্বই আদালত সিবিআইকে আলাদা দুর্নীতি মামলায় তাঁকে হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দেয়।
এর আগে মুম্বই পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার পরম বীর সিং অভিযোগ করেন যে দেশমুখ, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, শহরের রেস্তোরাঁ ও বার থেকে ১০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে পুলিশ অফিসারদের টার্গেট করতেন। যদিও দেশমুখ এই অভিযোগ খারিজ করে দেন কিন্তু গত বছর এপ্রিলে রাজ্য মন্ত্রীসভা থেকে পদত্যাগ করেন। কারণ এর আগেই বম্বে হাইকোর্টের নির্দেষে সিবিআই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।












Click it and Unblock the Notifications