সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত কংগ্রেসের, আপ-উপরাজ্যপালের সমালোচনায় শীলা
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত বলেন, কংগ্রেস আমলে এই সমস্যা তৈরি হয়নি, যে সমস্যা তৈরি হল আম আদমি পার্টির রাজত্বে। লেফটেন্যান্ট গভর্নরের সঙ্গে সংঘাত গড়াল দেশের শীর্ষ আদালত পর্যন্ত।
দিল্লি শাসনের ভার কার উপর থাকবে, তা স্থির করতে হস্তক্ষেপ করতে হল সুপ্রিম কোর্টকে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়দানের প্রতিক্রিয়ায় দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত বলেন, কংগ্রেস আমলে এই সমস্যা তৈরি হয়নি, যে সমস্যা তৈরি হল আম আদমি পার্টির রাজত্বে। লেফটেন্যান্ট গভর্নরের সঙ্গে সংঘাত গড়াল দেশের শীর্ষ আদালত পর্যন্ত।

সুপ্রিম কোর্ট এদিন যা বলেছে, তা একেবারে স্পষ্ট। সংবিধানের ২৩৯এএ ধারায় উল্লেখ করা রয়েছে, দিল্লি একটা রাজ্য নয়। সুপ্রিম কোর্ট এদিন ফলাও করে তা জানিয়ে দিয়েছে। জানিয়েছে দিল্লিকে রাজ্যের স্বীকৃতি দেওয়া সম্ভব নয়। প্রতিটি সাংবিধানিক সংস্থাকে সংবিধানের মূল নীতি মেনে চলতে হবে।
সংবিধানের ২৩৯এএ ধারা অনুসারে উপরাজ্যপাল ক্যাবিনেটের সাহায্য মেনে চলবে। দিল্লির উপ রাজ্যপাল যেমন যান্ত্রিকভাবে কাজ করতে পারেন না, তেমনই ক্যাবিনেটের সাহায্য ও পরামর্শ মেনে তাঁকে কাজ করতে হবে। কেননা সংবিধানেই তা বলা আছে। শীলা দীক্ষিত জানান, এদিন সেই বার্তাই ফের স্মরণ করিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।
পাশাপাশি দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী দিল্লি সরকার ও উপ রাজ্যপালকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। তা না হলে সমস্যা তৈরি হরবে দিল্লিকে নিয়ে। দিল্লির উন্নয়ন ব্যহত হবে। কংগ্রেস ১৫ বিগত বছর দিল্লি শাসন করেছে। তখন উপরাজ্যপাল ও সরকারের মধ্যে এমন সংঘাত তৈরি হয়নি। দুই তরফকেই এ ব্যাপারে সতর্ক থেকে কাজ করতে হবে, তবেই মঙ্গল দিল্লির।
এদিন সুপ্রিম কোর্ট ফলাও করে জানিয়ে দেয়, দিল্লি শাসনের প্রকৃত ক্ষমতা থাকবে নির্বাচিত সরকারের হাতেই। শুধুমাত্র তিনটি বিষয় থাকবে উপরাজ্যপালের হাতে। এছাড়া অন্য কোনও বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবেন উপরাজ্যপাল। সুপ্রিম কোর্টের এই রায় কেন্দ্রকেও বার্তা। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে গণতন্ত্রের জয় হল।












Click it and Unblock the Notifications