মণিপুরে কুকিদের সঙ্গে বাহিনীর সংঘর্ষ বড় রূপ নিল, ১ জন হত আর ২৭ জন গুরুতর আহত, বলছে সূত্র
মণিপুরের বিধিনিষেধ শিথিল পর্ব কার্যত সাফল্য পেল না। মানুষের অবাধ চলাচল শুরু করতেই রক্তাক্ত হল পরিস্থিতি। ইম্ফল-দিমাপুর হাইওয়েতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে মণিপুরে। সংঘর্ষের ফলে একজনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে এবং ২৭ জন নিরাপত্তা কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে।
সংঘর্ষের কারণ কী?
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশ অমান্য করে স্থানীয়রা যান চলাচলে বাধা দেয়। কুকি-জো সম্প্রদায়ের সদস্যরা বিক্ষোভ শুরু করে প্রথম থেকে, যা ধীরে ধীরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। ইম্ফল-দিমাপুর মহাসড়ক অবরুদ্ধ করে ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা।

খনি-প্রতিরোধী যানবাহন বাধা ভেঙে এগিয়ে গেলেও প্রতিবাদকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করে এবং রাস্তা খুঁড়ে অবরোধ সৃষ্টি করে। কুকি উপজাতির বেশ কয়েকজন মহিলা যখন হাইওয়ে অবরোধের চেষ্টা করছিলেন, তখন নিরাপত্তা বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করলে অনেকেই আহত হন। আর এরপর বেলা বাড়তে খবর আসে মৃত্যুর।
সংঘর্ষ কিভাবে শুরু হল?
যা জানা যাচ্ছে, কানপোকপি জেলার জাতীয় সড়ক-২ এর পাশে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করা হয়। নিরাপত্তা বাহিনী কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। বিক্ষোভকারীরা ব্যক্তিগত গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং সরকারি বাস থামানোর চেষ্টা করে। এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কাংপোকপিতে কারফিউ জারি করা হয়। বিক্ষোভকারীরা মেইতেই সংগঠন FOCS-এর পদযাত্রার বিরুদ্ধেও প্রতিবাদ করে।
এই প্রসঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর বক্তব্য, "আমরা কেবল আদেশ পালন করছি। সরকারি বাসে যেতে চাইলে যেতে পারে, তবে মিছিলের অনুমতি নেই"।
শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে রাজ্য প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে।












Click it and Unblock the Notifications