ব্যাড ব্যাঙ্ক ইস্যুতে বড়সড় গ্যারান্টি স্কিমের ঘোষণা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের
ব্যাড ব্যাঙ্ক ইস্যুতে বড়সড় গ্যারান্টি স্কিমের ঘোষণা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের
ব্যাড ব্যাঙ্ক নিয়ে এদিন বড়সড় ঘোষণা করে দল মোদী সরকার। এদিন দিল্লিতে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন জানান 'ন্যাশনাল অ্যাসেট রিকনস্ট্রাকশন কম্পানি' গড়ছে তাঁর মন্ত্রক। কারণ এই 'ন্যাশনাল অ্যাসেট রিকনস্ট্রাকশন কম্পানি' বা ব্যাড ব্যাঙ্ক নিয়ে এদিন কেন্দ্রিয় মন্ত্রিসভা ছাড়পত্র দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একই সঙ্গে সীতারমন জানান যে ৩১ হাজার টাকার গ্যারান্টি স্কিম এই ব্যাডব্যাঙ্কের জন্য অনুমোদন করা হয়েছে। এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলনে নির্মলা জানান, ৩০,৬০০ কোটি টাকা পর্যন্ত সিকিউরিটি রিসিপ্ট ন্যাশনাল অ্যাসেট রিকন্স্ট্রাকশান কম্পানি লিমিটেড ইস্যু করতে পারবে।

অর্থমন্ত্রী এদিন জানান, তাঁর মন্ত্রক এবার 'ডেবট রেজোলিউশন কম্পানি লিমিটেড' প্রতিষ্ঠা করতে চলেছে। যার মধ্যে পিএসবি সেক্টরের ৪৯ শতাংশ স্টেক থাকবে। বাকি প্রাইভেট সংস্থার হাতে থাকবে স্টেক। এদিকে, এআরসি বা অ্যাসেট রিকন্সট্রাকশন কম্পানি তৈরির চিন্তাভাবনা যে সরকার করছে তা ২০২১ বাজেট অধিবেশনেই সরকার জানিয়ে দিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে কোথায় কত টাকা দেনা রয়েছে বা কোন সংস্থার হাল কেমন আর্থিকভাবে তা খোঁজ রাখা যাবে। এছাড়াও অবস্থা বুঝে অলাভজনক ক্ষেত্রকে বিক্রির বন্দোবস্তের কথাও বলা হয়েছে এক্ষেত্রে। যে ঘটনার তীব্র বিরোধিতা করেন প্রাক্তন আরবিআই গভর্নর রঘুরাম রাজন। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন জানিয়েছেন , তাঁর মতে একজায়গা থেকে ঋণের টাকা নিয়ে অন্য জায়গায় তা প্রেরণ করার নামই হল ব্যাডকব্যাঙ্ক। তাঁর বক্তব্য, এঅ ঋণের অঙ্ক একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সরিয়ে আরেকটির দিকে চলে যাওয়ার অর্থই হল ব্যাড ব্যাঙ্ক। উল্লেখ্য, নির্মলা সীতারমন জানান, ব্যাঙ্কগুলির সম্পত্তি কী রয়েছে তা শেষবার ২০১৫ সালে পর্যালোচনা করেছে দেশের কেন্দ্রীয় সরকার। তারপর থেকে তা হয়নি। সেই নিরিখে বর্তমানে নতুন প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে তার পর্যালোচনায় স্বচ্ছ্বতা আসতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।
এদিকে, ব্যাড ব্যাঙ্ক নিয়ে রিজার্ভব্যাঙ্কের বর্তমান গভর্নর শক্তিকান্ত দাস ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ব্যাড ব্যাঙ্কের বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে পারে। 'ব্যাড লোন' বা ঋণ সংক্রান্ত জালিয়াতি রুখতে ও জটিলতা কাটাতে এই বাবনা কার্যকরী ফল দেবে বলে মনে করছেন তিনি। আরবিআই সূত্রের খবর কোন কোন ব্যাঙ্কে ঋমের জটিলতা রয়েছে, তা জানতে আরবিআই আগেই একটি সমীক্ষা করিয়েছে। তাতে তারা দেখেছে পাকাপোক্ত ও উজ্জ্বল ব্যালেন্স শিট পেশ করার তাগিদে বহু ব্যাঙ্ক 'ব্যাড লোন' বা ঋণ সংক্রান্ত সমস্যাকে লুকিয়ে গিয়েছে। ঋণ দেনার ক্ষেত্রে গত ৬ বছরে ব্যাঙ্কগুলি ৫,০১,৪৭৯ কোটি টাকা উদ্ধার করতে পেরেছে। গত ২০১৮ সালের মার্চে উদ্ধরা হয়েছে ৩.১ লাখ কোটি টাকা।












Click it and Unblock the Notifications