গুজরাতে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ, তিনদিনে মৃতের সংখ্যা ২৬ পার, সরানো হয়েছে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে
গুজরাতে অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত। গত তিন দিনে মৃতের সংখ্যা ২৬ পেরিয়ে গিয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকাগুলি থেকে প্রায় ২০ হাজার মানুষজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে অন্তত ১১ টি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে সাতজন এমন রয়েছেন, যাঁরা ট্রাক্টরে যাচ্ছিলেন। সেটি জলের তোরে ভেসে যায়।

গুজরাত জুড়ে তৎপরতা৩ চলছে পুরোদমে, রাজ্য জুড়ে নদী ও বাঁধের জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় কয়েক হাজার মানুষকে নিরাপদে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। গুজরাত সরকার ত্রাণকাজে সহায়তা করতে সেনাবাহিনীর সাহায্য চেয়েছে। দ্বারকা, আনন্দ, ভদোদরা, খেদা, মরবি ও রাজকোটের জন্য সেনা সাহায্য চাওয়া হয়েছে। ইতি মধ্যে সেখানে এনডিআরএফের ১৪ প্ল্যাটুন এবং এসডিআরএফের ২২ প্ল্যাটুন কাজ করছে।
আবহাওয়া দফতরের তরফে বৃহস্পতিবার গুজরাতের ১১ টি জেলায় বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে। এছাড়া ২২ টি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে। নিম্নচাপের কারণে এই পরিস্থিতি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।
#WATCH | Devbhumi Dwarka: NDRF rescued 95 people as flood-like situation continues in parts of Gujarat due to incessant rainfall.
— ANI (@ANI) August 28, 2024
(Video source - NDRF) pic.twitter.com/VAlg3mIg0k
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে কচ্ছ, দ্বারকা, জামনগর, মরবি, সুরেন্দ্রনগর, জুনাগড়, রাজকোট, বোটাদ, গির, সোমনাথ, আমরেলি, ভাবনগর এবং সৌরাষ্ট্র অঞ্চলের জন্য লাল সতর্কতা জারি করেছে। অন্যদিকে উত্তর-মধ্য-দক্ষিণ গুজরাতের জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভদোদরা এলাকায় বৃষ্টি কমলেও, বিশ্বামিত্রী নদীর জল আবাসিক এলাকাকে প্লাবিত করেছে।
আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপটি ৩০ অগাস্ট নাগাদ কচ্ছ ও সৌরাষ্ট্র হয়ে আরব সাগরের দিকে সরে যাবে। তবে অস্থায়ীভাবে উত্তর-পূর্ব আরব সাগরের ওপরে তার প্রভাব থেকে যাবে বলে মনে করছে আবহাওয়া দফতর।












Click it and Unblock the Notifications