Flood: আবহাওয়ায় লাল সতর্কতা,অসমে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি! রাজস্থানেও বিস্তীর্ণ এলাকা জলের তলায়
অসমের (Assam) বন্যা (Flood) পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একটানা বৃষ্টিতে রাজ্যের নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। রবিবার আবহাওয়া দফতরের তরফে লাল সতর্কতা জারি করে আগামী পাঁচদিন কয়েকটি জেলায় অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
১২ টি জেলায় বন্যায় (Flood) ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় চৌত্রিশ হাজার বলে জানা গিয়েছে। অসম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে কাছাড়া, দারাং, ধেমাজি, ডিব্রুগড়, গোলাঘান, হোজাই, লখিমপুর, নগাঁও, নলবাড়ি, শনিতপুর, তিনসুকিয়া, উজালগুড়ি জেলা বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত। ক্ষতিগ্রস্ত ফসলি জমির পরিমাণ প্রায় ৯৮ হেক্টর।

এর মধ্যে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত লখিমপুর। সেখানে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ বন্যার জলের তলায় (Flood) । এরপরেই রয়েছে ডিব্রুগড়। সেখানে প্রায় চার হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। তিনসুকিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় তিন হাজার মানুষ। বর্তমানে ১৪২ টি গ্রাম জলের তলায়। এই তিনটি জেলায় সরকারের তরফে ১৬ টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র ও ত্রাণশিবির খোলা হয়েছে।
ভারী বর্ষণে ধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ডিমা হাসাও ও করিমগঞ্জ। এছাড়া শনিতপুর. লখিমপুর. কাছাড়, ধেমাজি, গোয়ালপাড়া, নগাঁও, উদালগুড়ি, চিরাং, ডিব্রুগড়, কামরুপ, কার্বি আংলং, করিমগঞ্জ, বঙ্গাইগাঁও , মাজুলি, মরিগাঁও, শিবসাগরে বন্যার জলে রাস্তা, সেতু থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সরকারি রিপোর্টে বলা হয়েছে, নেয়ামতি ঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদ, এনএইচ রোডে পুথিমারি এবং কামপুরের কপিলি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বৃষ্টির পাশাপাশি জলস্তর বৃদ্ধি (Flood) সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে।
অন্যদিকে 'ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়' রাজস্থানে (Rajasthan) বিপর্যয় তৈরি করেছে। প্রবল বৃষ্টির জেলে প্লাবিত (Flood) আজমেঢ়়ের জওহরলাল নেহরু হাসপাতাল। সমস্যায় পড়েছেন রোগী ও তাঁদের আত্নীয়রা। জালোরে ভেঙেছে রানিওয়াড়ার সুরভার বাঁধ। প্রবল বৃষ্টিতে জল জমেছে চেন্নাইয়ের রাজীব গান্ধী আইটি এক্সপ্রেসওয়েতে।












Click it and Unblock the Notifications