সুরতে শুরু ব্যাঙ্ককে শেষ, পৌঁছানোর আগেই মদ চেটেপুটে সাফ করলেন যাত্রীরা!
মদের মায়া বড় মায়া, তার জন্যে কত কিই না করা যায়! হয় কে নয় করা যায়, আবার নয় কে হয় করা যায়। এবার তেমন ঘটনার সাক্ষী থাকল এয়ার ইন্ডিয়াও।
গুজরাতের সুরত থেকে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাঙ্ককে প্রথমবার উড়ান ভরল এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমান। যা নিয়ে ভীষণ উৎসাহী ছিলেন গুজরাতের যাত্রীরা। আর বিমান টেক অফের কিছু সময় বাদেই শেষ হয়ে গেল বিমানের বার কাউন্টার। চার ঘণ্টার বিমান যাত্রায় রেকর্ড মদের বিক্রি হয়েছে বলেই জানা যাচ্ছে।

কিছু যাত্রী দাবি করেছেন যে বিমানের নাকি স্টক শেষ হয়ে গিয়েছিল। শুক্রবার এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং 737-8 বিমান প্রথমবার সুরত থেকে ব্যাঙ্কক-এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। সেদিন ছিল বিমানটির উদ্বোধন। ফ্লাইটটিতে ১৭৫ জন যাত্রী এবং ৬ জন ক্রু সদস্য ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। বিমানটির যাত্রী ধারণক্ষমতা ছিল ১৭৬ জন।
সাধারণত, গুজরাতে মদ খাওয়া নিষিদ্ধ। রবিবার এয়ারলাইন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যে সুরত থেকে ব্যাঙ্কক যাওয়ার ফ্লাইটে অ্যালকোহলের দ্রুত বিক্রি হয়েছিল। এর স্টক শেষ হয়নি। স্বাভাবিক ভাবেই ভিতরের বিষয়টি বোঝা যাচ্ছে।
অবশ্য কিছু যাত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছিলেন যে এয়ারলাইনটির মদ ফুরিয়ে গেছে। জাহাজে মদের পাশাপাশি খাবারের পর্যাপ্ত মজুত ছিল, যা ফুরায় নি, কর্মকর্তারা পালটা জানিয়েছেন।
টাটা গ্রুপের মালিকানাধীন এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের পক্ষ থেকে অবশ্য এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।কর্মকর্তাদের মতে, সাধারণত ফ্লাইটের সময় একজন যাত্রীকে ১০০ মিলিলিটারের বেশি মদ পরিবেশন করা হয় না। এয়ারলাইনটি জাহাজে পাঁচ ধরনের মদ সরবরাহ করে।
একটি ৫০ মিলি চিভাস রিগ্যালের দাম ৬০০ টাকা। যেখানে রেড লেবেল, ব্যাকার্ডি হোয়াইট রাম এবং বিফিটার জিনের ৫০ মিলি প্রতিটির দাম ৪০০ টাকা। এছাড়াও এটি ৪০০ টাকায় ৩৩০ মিলি বিরা লেগার অফার করে।
খাবারের ক্ষেত্রে, যাত্রীরা হয় আগে ফ্লাইট বুকিং-এর সময় বুক করেন বা ফ্লাইটে কিনে নেন। আর এতেই এবার তাক লাগিয়ে দিলেন সুরতের যাত্রীরা।












Click it and Unblock the Notifications