Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

করোনার পর জিকা ভাইরাসের থাবা মহারাষ্ট্রে, পুনেতে মহিলার টেস্ট পজিটিভ

মহারাষ্ট্রে জিকা ভাইরাস সংক্রমণের প্রথম কেস ধরা পড়েছে। গ্রামীণ পুনের পুরন্দর জেলার বাসিন্দা ওই মহিলার শরীরে জিকা সংক্রমণ পজিটিভ। তাঁকে পুরন্দরের বেলসার প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল।

মহারাষ্ট্রে জিকা ভাইরাস সংক্রমণের প্রথম কেস ধরা পড়েছে। গ্রামীণ পুনের পুরন্দর জেলার বাসিন্দা ওই মহিলার শরীরে জিকা সংক্রমণ পজিটিভ। তাঁকে পুরন্দরের বেলসার প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি এখন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন। তাঁর পরিবারের কেউ সংক্রমিত হয়নি বলেই সূত্রের খবর।

করোনার পর জিকা ভাইরাসের থাবা মহারাষ্ট্রে

করোনার পর জিকা ভাইরাস হানার সন্দেহে পাঁচটি নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। তার মধ্যে একজনের শরীরে জিকা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছে। এরপর শনিবার এলাকাটি পরিদর্শন করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের টিম। কারণ এই মাসে পুনের ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি জ্বরের ঘটনা ঘটেছে। মেডিকেল টিমের সদস্যরা প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করার পরামর্শ দিয়েছে। জিকা মোকাবিলায় কঠোর প্রোটোকল মেনে চলার কথা বলেছেন তাঁরা

শুধু করোনা বা জিকা নয়, ওই এলাকায় চিকুনগুনিয়ার তিনটি ঘটনাও ধরা পড়েছে। এখন পর্যন্ত জিকা ভাইরাস শুধুমাত্র কেরালায় পাওয়া গিয়েছিল। রাজ্যে সংক্রমিত ৬১ জনের মধ্যে একজন ২৪ বছর বয়সী অন্তঃসত্ত্বা মহিলা ছিলেন, যিনি গত মাসে মশার দ্বারা সংক্রমিত রোগে আক্রান্ত হন। রাজ্যে এটাই ভাইরাসের প্রথম কেস ছিল। এর লক্ষণগুলি ডেঙ্গুর মতো এবং এই রোগে জ্বর, ফুসকুড়ি এবং জয়েন্টে ব্যথা অনুভূত হয়।

জিকা ভাইরাস বেশিরভাগ সংক্রমিত এডিস প্রজাতির মশার কামড় দ্বারা প্রেরণ করা হয়। প্রধানত এডিস ইজিপ্টি। এর সংক্রমণ বেশিরভাগ ক্রান্তীয় এবং উপ-ক্রান্তীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। বিশেষ করে ভোর ও ভরসন্ধ্যায় কামড়ায়। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া এবং হলুদ জ্বর সবই একই মশার মাধ্যমে ছড়ায়।

জিকার লক্ষণগুলি জ্বর, ত্বকে ফুসকুড়ি এবং জয়েন্টে ব্যথা সহ ডেঙ্গুর অনুরূপ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, কোন উপসর্গ নেই। জিকা কিছু লোকের মধ্যে প্যারালাইসিস হতে পারে। এটি গর্ভবতী মহিলাদের জন্মগত অস্বাভাবিকতা সৃষ্টি করার সম্ভাবনা রয়েছে। গর্ভবতী মহিলারা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তাঁদের গর্ভের সন্তানের মাইক্রোসেফালি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, জিকা ভাইরাসে কেউ আক্রান্ত হলে তাঁর মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে না। ঠিকমতো চিকিৎসা ও পর্যাপ্ত বিশ্রামে তা নিরাময় হয়ে যায়। তবে জিকার কোন‌ও ভ্যাকসিন নেই কিংবা কোনও ওষুধ নেই। উপসর্গও থাকে খবু মৃদু। চিকিৎসকদের পরামর্শ জিকা হলে বেশি পরিমাণে জল খাওয়ার প্রয়োজন। আর যেহেতু গা-ব্যথা আর জ্বর থাকে, সেহেতু দরকার বিশ্রাম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই মর্মে একটি গাইডলাইনও দিয়েছে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+