নীল তিমির জাল এবার তামিল নাড়ুতেও, সুইসাইডে নোটে বিস্ফোরক বয়ান আত্মঘাতী কিশোরের
তামিলনাড়ুতে ব্লু হোয়েল আত্মহত্যার প্রথম ঘটনা, সুইসাইড নোটেও নীল তিমিকেই দায়ী আত্মঘাতী কিশোরের ।
নীল তিমি শুধুমাত্র একটি খেলা নয়, বিপদ। একবার এই গেমে ঢুকলে আর বেরনো যায়না। সুইসাইড নোটে এমনই ভয়ঙ্কর এক বার্তা দিল মাদুরাইয়ের এক কিশোর। মঙ্গলবারই মারণ গেমের শেষ ধাপে পৌঁছে আত্মহত্যা করেছে দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্র। তার হাতে ব্লু হোয়েলের চিহ্নও পেয়েছে পুলিশ।

মারণ ব্লু হোয়েল গেম যে কতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, তার প্রমাণ মিলছে পদে পদে। প্রায় প্রতিদিনই দেশের কোনও না কোনও প্রান্তে নীল তিমির নেশায় আত্মঘাতী হচ্ছে পড়ুয়ারা। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর নির্দেশিকা জারি করেও বন্ধ করা যাচ্ছে না এই ভয়ঙ্কর অনলাইন গেমকে। মাদুরাই-এর বেসরকারি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ভিগনেশও বেশ কিছুদিন ধরেই এই নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছিল। তার সহপাঠীরা জানিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই মোবাইলের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকত ভিগনেশ। দিনের বেশিরভাগ সময়ই তার মোবাইল নিয়ে কাটত। ভিগনেশ যে ব্লু হোয়েলের জালে জড়িয়ে পড়েছিল আপাতত এটাই তার প্রমাণ।
মঙ্গলবার গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে ভিগনেশ। কিন্তু তার কাছ থেকে পাওয়া সুইসাইড নোট দেখে পুলিশ প্রায় নিশ্চিত যে নীল তিমির জালে ফেঁসেই এই চরম পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে সে। পশ্চিমবঙ্গ সহ অন্যান্য রাজ্যগুলি থেকে ব্লু হোয়েলে আসক্ত হয়ে আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেলেও তামিলনাড়ুতে ব্লু হোয়েল আত্মহত্যার এই প্রথম ঘটনা।
এত সতর্কীকরণ সত্ত্বেও কেন এই মারণ গেমকে আটকানো যাচ্ছে না তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে নানা মহলে। সিবিএসই বোর্ড তো সমস্ত স্কুলে মোবাইলের ওপর নিষেধাজ্ঞাই জারি করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারও সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া ও ইন্টারনেট সংস্থাগুলিকে এই গেমের সমস্ত লিঙ্ক অবিলম্বে সরিয়ে দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications