FIR-র পরেই লখিমপুর কাণ্ডে গ্রেফতার প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সীতাপুর গেস্টহাউসেই তৈরি হল অস্থায়ী জেল
FIR-র পরেই লখিমপুর কাণ্ডে গ্রেফতার প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সীতাপুর গেস্টহাউসেই তৈরি হল অস্থায়ী জেল
লখিমপুর কাণ্ডে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল উত্তর প্রদেশ পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। সীতাপুর গেস্ট হাউসেই অস্থায়ী জেল তৈরি করে রাখা হয়েছে তাঁকে। গতকাল প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করেছিল উত্তর প্রদেশ পুলিশ। তাঁকে লখিমপুর যেতে দেওয়া হয়নি। তারপরেই প্রিয়াঙ্কা গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন কোনও রকম এফআইআর ছাড়াই তাঁকে ২৮ ঘণ্টা গেস্ট হাউসে আটক করে রাখা হয়েছিল

প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বিরুদ্ধে এফআইআর
উত্তর প্রদেশ কংগ্রেসে সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল যোগীর পুলিশ। গতকাল লখিমপুরে যাওয়ার পথে আটক করা হয়েছিল প্রিয়াঙ্কাকে। তারপরেই সোমবার মঙ্গলবার যোগীর পুলিশ তড়িঘড়ি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সহ ১১ জন কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। ভরতীয় দণ্ডবিধির ১০৭/১৬ ধারায় প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, দেবেন্দ্র হুডা, অজয় কুমার লাল্লু বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। হরগাঁও থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়।

আটক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী
লখিমপুরে কৃষক বিক্ষোভে ৮ জনের মৃত্যুর ঘটনার পরেই শোরগোল শুরু হয়ে গিয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। তারপরেই তড়িঘড়ি তিনি রওনা হয়ে যান লখিমপুরের পথে। ভোর ৬টা নাগাদ তিনি হরগাঁও পৌঁছতেই পুলিশ তাঁদের আটকায়। এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়। হরগাঁওয়ে একটি গেস্ট গাউসে রাখা হয়েছিল তাঁকে। সেশ্যাল মিিডয়ায় প্রিয়াঙ্কার গেস্ট গাউসের ঘর ঝাড়ু দেওয়ার একটি ছবি ছড়িয়েছিল। প্রিয়াঙ্কার আটক হওয়ার খবর পেয়েই রাহুল গান্ধী টুইট করেছিলেন, 'তিনি হিন্দিতে টুইটে লিখেছিলেন, যাঁকে জেলে বন্দি করা হয়েছে তিনি নির্ভিক এবং সত্যিকারের কংগ্রেসি। কোনও ভাবেই পরাজয় স্বীকার করব না। সত্যাগ্রহ চলবে।'

থমথমে লখিমপুর
আজও থমথমে লখিমপুর। দোকান-বাজার সব বন্ধ রয়েছে। গতকালই যোগী প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে দিয়েছিল এলাকায়। ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ করে দেওয়া হয়। গোটা এলাকায় টহল দিচ্ছে এসএসবি জওয়ানরা। মৃত কৃষকদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে উত্তর প্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা থেকে অনেকেই গাড়িতে করে এসেছেন লখিমপুরে। চার জনের দেহের ময়নাতদন্তের অনুমতি দিয়েছে বিক্ষুব্ধ কৃষকরা। সেই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত তাঁরা দেহ সৎকার করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে।

আর্থিক সাহায্য ঘোষণা
যোগী সরকার ইতিমধ্যেই মৃতদের পরিবার পিছু ৪৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এদিকে লখিমপুরে কোনও রাজনৈতিক দলের নেতাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ঘটনার তদন্তে হাইকোর্টের অবসর প্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছে যোগী সরকার। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications