বাজেটের আগে পেশ হল ইকোনমিক সার্ভে রিপোর্ট : জেনে নিন কি রয়েছে তাতে
সংসদে বাজেট অধিবেশনের মাঝে ইকোনমিক সার্ভে রিপোর্ট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। সাধারণ বাজেট পেশের আগের দিন পেশ হওয়া এই রিপোর্ট অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
নয়াদিল্লি, ৩১ জানুয়ারি : সংসদে বাজেট অধিবেশনের মাঝে ইকোনমিক সার্ভে রিপোর্ট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। সাধারণ বাজেট পেশের আগের দিন পেশ হওয়া এই রিপোর্ট অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কী রয়েছে এই রিপোর্টে তা জেনে নেওয়া যাক একনজরে।[বাজেট অধিবেশনের শুরুতে ভাষণে যা বললেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় ]

ইকোনমিক সার্ভে রিপোর্টের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একনজরে
- ২০১৮ আর্থিক বর্ষে জিডিপির বৃদ্ধির গড় থাকবে ৬.৭৫ শতাংশ থেকে ৭.৫০ শতাংশের মধ্যে। বর্তমান আর্থিক বর্ষে যা রয়েছে ৭.১ শতাংশ।
- সুদের হার কমে যাওয়ায় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বাড়বে। আবগারি শুল্ক এবছর ০.১ শতাংশ হারে হ্রাস পাবে।
- ৪.১ শতাংশ হারে কৃষিক্ষেত্রে বৃদ্ধি হবে। ২০১৫-২০১৬ অর্থবর্ষে যা ছিল ১.২ শতাংশ।
- পোশাক ও লেদার শিল্পে শ্রমিকদের ও কর ব্যবস্থার নানা সংষ্কার সাধন করে বিশ্বের বাজারে এই দুটি ক্ষেত্রকে প্রতিযোগিতায় শামিল করতে হবে।
- ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম ডেটা নিয়ে গভীর ভাবনাচিন্তার সময় এসেছে।
- শিল্পক্ষেত্রে ২০১৫-২০১৬ সালে বৃদ্ধির হার ছিল ৭.৪ শতাংশ যা ২০১৬-২০১৭ সালে কমেছে ৫.২ শতাংশতে।
- সার্ভিস সেক্টরে বৃদ্ধির হার ২০১৬-১৭তে রয়েছে ৮.৮ শতাংশ যা ২০১৫-১৬ সালে ছিল ৮.৯ শতাংশ।
- মুদ্রাস্ফীতির হার এবছর গড়ে ৫ শতাংশে রয়েছে।
- 'পাবলিক সেক্টর অ্যাসেট রিহ্যাবিলিটেশন এজেন্সি' তৈরি করতে হবে।
- শহরগুলিতে প্রপার্টি ট্যাক্সকে হাতিয়ার করে অতিরিক্ত রাজস্বের সংস্থান করতে হবে।
- ডব্লিউপিআই বা হোলসেল প্রাইস ইনডেক্স এপ্রিল থেকে ডিসেম্বরের মধ্যবর্তী সময়ে ছিল ২.৯ শতাংশ।
- ডিজিটাল রেডিও প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে ডিজিটাইজেশনকে প্রমোট করা হোক।
- আর্থিক ঘাটতির পরিমাণ ২০১৫-২০১৬ সালে ছিল ৩.৯ শতাংশ ২০১৬-১৭ সালে তা হতে চলেছে ৩.৫ শতাংশ।
- কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট ২০১৬-১৭ আর্থিক বর্ষের প্রথম ভাগে হবে জিডিপির ০.৩ শতাংশ।
- যে কয়েকটি বড় সংস্কার করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল জিএসটি আইন, ব্যাঙ্করাপ্সি (দেউলিয়া) বিল, আধার বিল, এফডিআই উদারীকরণ, ইউপিআই ও শ্রমিকে আধিক্য রয়েছে এমন সেক্টরকে প্রমোট করা।
- চামড়া ও জামাকাপড়ের মতো পণ্যের বাজারকে আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে ভারতের হাতে।
- এপ্রিল ২০১৭ সালের মধ্যেই নোটের যোগান স্বাভাবিক হয়ে যাবে। ডিসেম্বরের পর থেকে নোট বাজারে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া স্বাভাবিক গতিতে চলছে।
- জিএসটি থেকে হওয়া লাভ অনুভূত হতে সময় লাগবে।
- নোট বাতিলের প্রভাবে অনেকে কর্মহীন হয়েছেন, আয়ে ঘাটতি হয়েছে, যে সমস্ত ক্ষেত্রে নগদের প্রভাব বেশি সেখানে সমস্যা তৈরি হয়েছে। নোট বাতিলের প্রভাবে শিল্প ক্ষেত্রে ও ঘরোয়া ক্ষেত্রে অনেক কেনাকাটা পিছিয়ে গিয়েছে।
- তিনটি সমস্যা ২০১৮ আর্থিক বর্ষে ভারতের পথের কাঁটা হতে পারে। এগুলি হল নোট বাতিল, তেলের দাম ও বিশ্বজনীন বানিজ্য নিয়ে দুশ্চিন্তা।
- চিনের থেকে ভারতের ট্রেড-জিডিপি অনুপাত বেশি রয়েছে।
- গত দু'বছরে পেট্রোপণ্যে ভর্তুকি কমাতে সরকার গ্রহণযোগ্য প্রচেষ্টা করেছে।
- দেশের ৮টি বড় শহরে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা নোট বাতিলের ফলে দারুণভাবে ধাক্কা খেয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications