উপত্যকায় মরিয়া জঙ্গিরা, আত্মঘাতী হামলা নিয়ে চিন্তায় নিরাপত্তাবাহিনী
আত্মঘাতী জঙ্গিরা শরীরের ভিতরে বিস্ফোরক লুকিয়ে হামলা চালায়। তা আগে থেকে বোঝা বেশ মুশকিল।
ফিঁদায়ে হামলা বা আত্মঘাতী হামলাকে আটকানো সম্ভব নয়। তবে তার বিরুদ্ধে সতর্ক হয়ে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন বিএসএফ প্রধান কেকে শর্মা। আত্মঘাতী জঙ্গিরা শরীরের ভিতরে বিস্ফোরক লুকিয়ে হামলা চালায়। তা আগে থেকে বোঝা বেশ মুশকিল। তবে সতর্ক থাকলে সেনা তা প্রতিরোধের চেষ্টা করতে পারে।

মঙ্গলবার শ্রীনগর বিমানবন্দরের অদূরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের খবর সামনে এসেছিল। সেই প্রেক্ষিতেই বিএসএফের তরফে এমনটা জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, ফিঁদায়ে হামলা পরিকল্পনা করে করা হয়। জঙ্গিরা ঠিক ঢুকে পড়তে পারে। তবে সতর্ক থাকলে প্রত্যুত্তর দেওয়া যায়।
শ্রীনগর বিমানবন্দরের কাছে জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াইয়ে বিএসএফের সাব ইনস্পেক্টর বিকে যাদব শহিদ হয়েছেন। তিনজন জঙ্গির সঙ্গে একা লড়ছিলেন তিনি। শ্রীনগর বিমানবন্দরের কাছে ১৮২ নম্বর ব্যাটেলিয়নের ক্যাম্পে হামলা হয়। তিন জঙ্গিকেই পরে নিকেশ করা হয়।
গতবছরের সেপ্টেম্বরে উরি হামলা চালিয়েছিল জঈশ-ই-মহম্মদ জঙ্গিরা। সেনা ক্যাম্পে হামলা চালানো হয়। এই হামলার পিছনেও জঈশ-ই রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই ঘটনায় নাম না করে পাকিস্তানকে কোণঠাসা করে বিএসএফ জানিয়েছে, সীমান্তের ওপারে হিংসা না থামলে এমন ঘটনা বারবার ঘটতে থাকবে।
প্রসঙ্গত, শ্রীনগর বিমানবন্দরের সামনে যে হামলা হয়েছে সেখানে জঙ্গিদের মধ্যে ২ জন সিআরপিএফের পোশাক পরেছিল। আর এক জঙ্গি পাঠানস্যুট পরেছিল। সেই অবস্থায় হামলা চালায়। পরে তিনজনকেই সেনা নিকেশ করে।












Click it and Unblock the Notifications