২৯ নভেম্বর হচ্ছে সংসদ অভিযান, ট্রাক্টর মার্চ প্রত্যাহার করল কৃষকরা
২৯ নভেম্বর হচ্ছে সংসদ অভিযান, ট্রাক্টর মার্চ প্রত্যাহার করল কৃষকরা
২৯ নভেম্বর সংসদ অভিযান প্রত্যাহার করল কৃষকরা। আজই সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার পক্ষ থেকে সংসদ অভিযানের ঘোষিত কর্মসূচি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লখ্য ২৯ নভেম্বর থেকেই শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশেন। আজই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কৃষকদের জন্য কমিটি গঠন করে কৃষকদের আন্দোলন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

২৯ নভেম্বর শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। সেই অধিবেশনেই কৃষি আইন প্রত্যাহারের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা কৃষি আইনের অনুমোদন দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শনিবারই একটি কমিটি গড়ে দিয়েছেন। সেই কমিটি কৃষকদের উন্নয়নের জন্য কাজ করবে বলে জানিয়ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই কমিটি গড়ার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অনুরোধ জানিয়ছিলেন কৃষকরা যেন আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন।
কৃষি আইন প্রত্যাহারের পরেই কৃষকরা আন্দোলন প্রত্যাহার করতে রাজি হয়নি কৃষকরা। ২৯ নভেম্বর কৃষকরা দিল্লি চলো কর্মসূচি প্রত্যাহার করেনি। সেটা জারি রেখেছিল তাঁরা। মনে করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁদের অনুরোধ করার পরেই কৃষকরা এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। কৃষক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ২ ডিসেম্বর তাঁরা বৈঠক করবেন তারপরে আন্দোলনের পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এর আগে কৃষক সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল সংসদের শীতকালীন অধিবেশন চলাকালীন প্রতিদিন কৃষকরা শান্তিপূর্ণ ভাবে সংসদে মার্চ করবে। প্রায় ৫০০ কৃষক এই আন্দোলনে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই কর্মসূচি থেকে পিছিয়ে এসেছেন তাঁরা। আগামী ২ অক্টোবর বৈঠকের পর এই নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
কৃষকদের আন্দোলন জারি রয়েছে এখনও। এদিকে বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করেছেন ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়েই মোদী সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ পাঞ্জাবে শিরোমনি অকালিদলের সঙ্গে জোট ভাঙার পর সংকটে ছিল বিজেপি। কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে আসা অমরিন্দর সিং দাবি করেছিলেন কৃষি আইন প্রত্যাহার না করলে তিনি বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। আর উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরির ঘটনায় অস্বস্তিতে ছিল যোগী সরকার। সব মিলিয়ে দুয়ের কথা ভেবেই মোদী সরকার কষি আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করেছে বিরোধীরা। তাই শীতকালীন অধিবেশনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে মোদী সরকার। ৫ রাজ্যের ভোটের আগে শীতকালীন অধিবেশনে কোন ইস্যুতে বিরোধীরা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হবে সেটাই এখন দেখার।












Click it and Unblock the Notifications