হয় দিল্লি নয় জেল, ২৯ নভেম্বর উত্তাল হতে চলেছে রাজধানী, সংসদ অভিযানের ডাক কৃষক সংগঠনের
হয় দিল্লি নয় জেল, ২৯ নভেম্বর উত্তাল হতে চলেছে রাজধানী, সংসদ অভিযানের ডাক কৃষক সংগঠনের
২৮ তারিখ পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়ে রেখেছে কৃষকরা। আবার চরম হুঁশিয়ারি দিল তাঁরা। ২৯ নভেম্বর দিল্লি চলোর ডাক দিলেন কৃষকরা। তাঁরা হুঙ্কার দিয়েছেন ২৯ নভেম্বর দিল্লি অভিযানের ডাক দিয়েছে তারা। দিল্লিতে সংসদ অভিযানে ডাক দিয়েছেন তাঁরা। হয় দিল্লিতে ঢুকতে চেয়েছেন তাঁরা নয়তো জেলে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

সংসদ অভিযানের ডাক
২৯ নভেম্বর সংসদ অভিযানের ডাক দিল কৃষক সংগঠন। সেদিন দিল্লিতে প্রবেশ করবে তারা। আগেই কৃষি আইন প্রত্যাহার করার জন্য ২৮ নভেম্বরের চরম সময়সীমা দিয়ে দিয়েছে তারা। মোদী সরকার তা না করলে চরম পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত সেটা করে দেখাতে চলেছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২৯ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। এর আগে বাদল অধিবেশন চলাকালীনও সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত যদিও যন্তর মন্তরে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন কৃষকরা।

হয় দিল্লি নয় জেল
২৯ নভেম্বর ফের উত্তাল হতে চলেছে রাজধানী দিল্লি। কারণ এদিন হয় দিল্লি নয় জেল চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। হয় দিল্লি যাবেন নয় কারা বরণ করবেন বলে মোদী সরকারকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। তিকরি এবং গাজিপুর সীমান্ত দিয়ে তাঁরা প্রবেশ করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ কৃষক সেদিন দিল্লিতে অভিযান চালাবে বলে হুঁশিয়িরা েদওয়া হয়েছে। এমনকী তাঁরা বলেেছন যদি সরকার তাঁদের দিল্লি ঢুকতে না দেয় তাহলে তাঁরা কার বরণ করতেও প্রস্তুত। ২৬ নভেম্বর কৃষি আইনের প্রতিবাদে কৃষকদের আন্দোলন ৬ মাস পূর্ণ করছে।

সামনেই উত্তর প্রদেশ ও পাঞ্জাবে ভোট
সামনেই আবার উত্তর প্রদেশ এবং পাঞ্জাবে ভোট। তার আগে কৃষকরা আন্দোলনের পারদ চড়াতে শুরু করেছে। উত্তর প্রদেশের একটা বড় অংশে কৃষক ভোটার রয়েছে। পাঞ্জাব তো পুরোটাই কৃষি নির্ভর। আর পাঞ্জাবের চাষীরাই সবথেকে বেশি মোদী সরকারের কৃষি আইনের বিরোধিতায় আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। প্রায় দীর্ঘ এক বছর ধরে দিল্লি সীমান্তে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে কৃষকরা। সেই আন্দোলন নভেম্বর থেকে আরও তীব্র হতে চলেছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে কৃষকরা।

লখিমপুর কাঁটা
উত্তর প্রদেশের ভোটের আগে লখিমপুর খেরিতে আন্দোলন রত কৃষকদের পিষে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার তদন্তের গতি নিয়ে যোগী প্রশাসনেরপ উপরে ভীষণভাবে অসন্তুষ্ট শীর্ষ আদালত। যোগী সরকারের গঠিত সিটের তদন্তের নজরদারি চালাবে হাইকোর্টেপ অবসর প্রাপ্ত বিচারপতি। লখিমপুর কাণ্ডের প্রভাব যে উত্তর প্রদেশের নির্বাচনে পড়বে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তাই নিয়ে একটু চাপে রয়েছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications