কেন্দ্র-কৃষক বৈঠক ভেস্তে গেলে কী হবে? আগেভাগেই 'বিকল্প' পথ তৈরি রাখলেন প্রতিবাদীরা
দিল্লি সীমান্তে অব্যাহত কৃষক আন্দোলন। কনকনে ঠান্ডাকে উপেক্ষা করে দিনের পর দিন, রাতের পর রাত আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা। দাবি একটাই, কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে কেন্দ্রকে। এরই মাঝে বুধবার বৈঠকে বসবে কৃষক সংগঠনগুলি এবং কেন্দ্র। তবে সেই বৈঠকের আগেই দিল্লির সিঙ্ঘু সীমানায় আরও বড় স্টেজ তৈরি করে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতি সেরে রাখলেন কৃকরা।

সিঙ্ঘু সীমান্তে বড় স্টেজ তৈরি
এর আগে কৃষকদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনাও করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি। এরই মাঝে বুধবার কৃষকদের সঙ্গে আরও এক দফা আলোচনায় বসতে চলেছে কেন্দ্র। তবে তার আগেই আরও বড়া মাত্রায় আন্দোলনের তোড়জোর শুরু করেছেন কৃষকরা। সেই প্রেক্ষিতেই সিঙ্ঘু সীমান্তে বড় স্টেজ তৈরির কাজে হাত লাগিয়েছেন প্রতিবাদী কৃষকরা।

মীমাংসার পথে আসতে চাইছেন কৃষকরা
সূত্রের খবর, এবার একটি মীমাংসার পথে আসতে চাইছেন কৃষকরা। স্থায়ী সমাধান চাইছে কেন্দ্রও। তাই বুধবার দুপুর ২টোয় ফের কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবে কেন্দ্রীয় সরকার। এর আগে আইন সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু কৃষকরা তাঁদের সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন। তাঁদের দাবি একটাই, কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে হবে। আর সেই কারণেই দফায় দফায় আলোচনার পরও এখনও কোনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি।

বুধবার ফের একবার বৈঠকে বসতে চলেছে কেন্দ্র
এরই মাঝে বুধবার ফের একবার বৈঠকে বসতে চলেছে কেন্দ্র। এর আগে ১৮ ডিসেম্বর হাত জোড় করে কৃষকদের কাছে আবেদন করছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বলছিলেন, সবরকম আলোচনার জন্য প্রস্তুত কেন্দ্র। তবে যদি সমস্যার সমাধান না মেলে সেই ক্ষেত্রে কৃষকদের আন্দেলনে যোগ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন আন্না হাজারে।

কেন্দ্রকে আন্না হাজারের হুঁশিয়ারি
কেন্দ্রকে লেখা এক চিঠিতে আন্না হাজারে জানান, কৃষকদের দাবি পূরণ না হলে তিনি অনশনে বসবেন। উল্লেখ্য, আজ ৩৪তম দিনে পড়ল কৃষকদের আন্দোলন। একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির বিভিন্ন সীমান্তে কৃষকদের ক্ষমতায়ন এবং সুরক্ষা ও নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা৷ মূলত, অত্যাবশ্যক পণ্য (সংশোধনী) আইন, ২০২০, সহ মোট তিনটি আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ জারি রয়েছে তাঁদের৷












Click it and Unblock the Notifications