দিল্লিতে যন্তরমন্তরের ভিতর কৃষক-সংসদের হাত ধরে আন্দোলনে নয়া মোড়, কৃষিমন্ত্রী দিয়ে রাখলেন বড় বার্তা
২২ জুলাই নির্দিষ্ট শিডিউল মেনেই যন্তর মন্তরের বুকে কৃষক আন্দোলন শুরু হচ্ছে। গত ২৬ নভেম্বর এই আন্দোলন কার্যত নতুন রূপ নিয়ে গোটা দেশকে আলোড়নে ফেলে দেয়। যার জেরে প্রভাবিত হয় দিল্লির রাজনীতি। ৩ টি কৃষি আইনের প্রত্যাহারের দাবিতে আজ থেকে ফের দিল্লির বুকে পারদ চড়াতে শুরু করলেন রাকেশ টিকাইতের নেতৃত্বে থাকা কৃষক নেতারা। এদিক, পাল্টা বার্তা দিয়েছেন বিজেপি পরিচালিত মোদী সরকারের কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার।

২০০ জনের প্রতিবাদ ও রাহুল গান্ধীর পৃথক প্রতিবাদ
এদিক, সংসদে বাদল অধিবেশনে কার্যত কৃষি বিল নিয়ে পারদ চড়ে। এই পরিস্থিতিতে সংসদ মুলতুবি হয়ে যায়। এদিকে, সংসদের বাইরে রাহুল গান্ধী সহ কৃষক নেতারা কৃষি বিলের প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন। চলে প্রতিবাদ অন্যদিকে, যন্তরমন্তরে ২০০ জন কৃষক নেতা নির্দিষ্ট কোভিড বিধি মেনে আজ প্রতিবাদে সামিল হচ্ছেন। যা ঘিরে কার্যত থমথমে দিল্লি। এদিন বিকেল ৫ টা পর্যন্ত চলবে প্রতিবাদ।

রাকেশ টিকাইতের বক্তব্য
এদিকে, কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইত জানিয়েছেন যে, ২৬ জানুয়ারির মতো ঘটনা আর ঘটবে না। কোনও প্রতিবাদী কৃষকই আর নির্দিষ্ট রুটের বাইরে গিয়ে প্রতিবাদে বিশৃঙ্কলা তৈরি করবেননা। ফলে যে সমস্ত রুট এদিন দিল্লিতে আগাম সতর্কতার জেরে দিল্লি সরকার বন্ধ রেখেছে, তা খুলে দেওয়া র আর্জি জানিয়েছেন রাকেশ টিকাইত। তাঁর দাবি, এই রুট বন্ধ থাকায় স্থানীয় মানুষের সমস্যা হচ্ছে।

কৃষি সংসদ বসছে!
এদিন পঞ্চায়েতের মতো করে দিল্লিতে কৃষক নেতারা যন্তন মন্তরের ভিতর কৃষক সংসদ তৈরি করবেন বলে জানা গিয়েছে। সেখানে তাঁরা নিজেদের সমস্যার কথা তুলে ধরবেন। এদিকে, সিংঘু সীমান্ত থেকে পুলিশি নিরাপত্তায় কৃষক আন্দলনের নেতাদের বাসে করে নিয়ে আসা হয়েছে বলে খবর।

কৃষি মন্ত্রী কী বলছেন?
এদিকে, কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার জানিয়েছেন যে, বিক্ষুব্ধ কৃষকরা যদি আইন নিয়ে নির্দিষ্ট পয়েন্টে কথা বলতে চান , তাহলে তাঁদের সঙ্গে সবসময়ই কথা বলতে রাজি মোদী সরকার। তিনি জানান মোদী সরকার কৃষি বান্ধব সরকার।












Click it and Unblock the Notifications