কৃষকনেতার চোখের জলে আবেগপ্রবণ বার্তা থেকে জাঠ মহাপঞ্চায়েতে ডাক, গাজিপুর সীমান্তে রাতভর কী ঘটে গেল
বৃহস্পতিবার রাতে গাজিপুর সীমানা কৃষকদের খালি করার নির্দেশ দেয় স্থানীয় প্রশাসন। এরপরই কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইতের আবেগপ্রবণ বার্তা গুলি চালাও, কিন্তু আমরা সরব না। যারপর থেকেই দেখা গিয়েছে ফের একবার গাজিপুর সীমান্ত খালি না করে , সেখানে জমায়েত শুরু করেছেন কৃষকরা।

তপ্ত গাজিপুর
গাজিপুর সীমান্ত ছেড়ে গেলেন না কৃষকরা। কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইত চোখের জল মুছতে মুছতে বার্তা দিয়েছেন, গ্রেফতারির দরকার নেই, তিনি গলায় দড়ি দেবেন। এরপরই দেখা যায় লালকেল্লাকাণ্ডে অভিযুক্ত একাধিক নেতা সহ বহু কৃষকরা গাজিয়াবাদ সীমান্তে কৃষক বিক্ষোভে সামিল হচ্ছেন।

ইউপি গেটে কী পরিস্থিতি?
এদিকে, বারবার কৃষকদের সরকারি নির্দেশ মানার বার্তা দিয়েছেন গাজিপুরের ডিএম। একটা সময় এলাকা খালি করার জন্য কড়া নির্দেশ আসে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে। এরপর এলাকার জল বিদ্যুৎ সরবরাহ কেটে দেওয়া হয়। ধীরে ধীরে এলাকায় ব়্যাফ মোতায়েন হতে থাকে। যদিও সকাল হতেই চলে আসে জল ও বিদ্যুৎ।এদিকে, উত্তরভারতের প্রভাবশালী কিষাণ ইউনিয়নের ডাকে কার্যত পশ্চিম উত্তর প্রদেশ থেকে দলে দলে কৃষকরা জমায়েত হতে থাকেন গাজিপুরে।

টিকাইত শুধু নিজের গ্রামের জল খাবেন অনশনে বসে!
এদিন সোচ্চার কণ্ঠে কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত জানিয়েছেন তিনি নিজের দাবিতে অনড়। আর আত্মসমর্পণ তো দূরের কথা. আপাতত তিনি অনশনে বসতে চলেছেন। আর কেবলমাত্র নিজের গ্রামের থেকে আশা জলই তিনি মুখে নেবেন। এদিকে, রাকেশের এমন অবস্থান নিঃসন্দেহে কেন্দ্র ও যোগী সরকারের কাছে বড় চ্য়ালেঞ্জ হয়ে উঠতে শুরু করেছে।

জাঠ মহাপঞ্চায়েতে ডাক
এদিকে, রাকেশ টিকাইতের ভাই নরেশ টিকাইতও এই আন্দোলনে ভাইয়ের পাশে। তিনি সাফ একটি টুইট করে জানিয়েছেন , যে আজ থেকেই মহা পঞ্চায়েত বসবে। প্রসঙ্গত, বালিয়া খাপ পঞ্চায়েত পশ্চিম উত্তর প্রদেশের একটি বড়সড় শক্তি।












Click it and Unblock the Notifications