উত্তাপ বাড়াচ্ছে কৃষকদের মহাপঞ্চায়েত, কৃষি আইন নিয়ে ফের কেন্দ্রকে কড়া হুঁশিয়ারি রাকেশ টিকাইতের
উত্তাপ বাড়াচ্ছে কৃষকদের মহাপঞ্চায়েত, কৃষি আইন নিয়ে ফের কেন্দ্রকে কড়া হুঁশিয়ারি রাকেশ টিকাইতের
কৃষক আন্দোলনকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরেই ফের দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে দিল্লি সীমান্ত। এদিকে কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর ডাকা হয়েছে ভারত বনধ। সংযুক্ত কৃষক মোর্চার তরফ থেকেই এই বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে। অন্যদকে কিষান মহাপঞ্চায়েতে যোগ দিতে রবিবার দেশের ১৫ টি রাজ্য থেকে উত্তর প্রদেশের মুজাফফরনগরে সমবেত হচ্ছেন কৃষকেরা। আর সেখান থেকেই ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি দিতে দেখা গেল কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইতকে।

মহাপঞ্চায়েতে যোগ ৪০টি কৃষক সংগঠনের
প্রসঙ্গত উল্লেখ্যে কৃষি বিলের বিরুদ্ধে গত এক বছর ধরে সমবেতভাবে আন্দোলন চালিয়ে আসছে দেশের ৪০ টি কৃষক সংগঠন। এবার করোনার দাপট কমতেই ফের বাড়তে শুরু করেছে কৃষক আন্দোলনের তেজ। জাতি-ধর্ম-বর্ণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নির্বিশেষে সকলকেই এদিনের মহা পঞ্চায়েতে আমন্ত্রণ জানান কৃষক নেতারা। ১৫ টি রাজ্য থেকে কয়েক হাজার কৃষক এদিনে সমাবেশে যোগদান করেছেম। অংশ নিয়েছে কৃষকদের ৪০টি সংগঠন।

কৃষি আইন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত চলবে আন্দোলন
এই সভা থেকেই কেন্দ্রকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানিয়ে রাকেশ টিকাইত বলেন, কৃষি আইন প্রত্যাহার করে না নেওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলনস্থল পরিত্যাগ করবেন না। প্রয়োজনে তারা দিল্লি সীমানাতেই মৃত্যু বরণ করবেন। যোগী ও মোদি সরকারকে কৃষকদের ক্ষমতা স্পর্ধা বোঝাতেই আজকের এই মহা পঞ্চায়েতের আয়োজন বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। অন্যদিকে একাধিক ক্ষেত্রের বেসরকারিকরণ নিয়ে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে রাকেশ টিকাইতকে এদিন একাধিক অভিযোগের নিশানা ছুঁড়তে দেখা যায়।

উত্তরপ্রদেশের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনেও কৃষক আন্দোলনের ছাপ
মোদী সরাকরকে তীব্র আক্রমণ করে রাকেশ টিকাইত বলেন, "এবার দেশ বিক্রি আছে বলে সাইবোর্ড লাগানো হবে। আর সেই দেশ কিনতে আসবেন আম্বানি ও আদানি। ফুড কর্পোরেশনের গুদাম তাদের দিয়ে দিল। বর্গাদার চাষি বলে কিছু থাকবে না, মাছ চাষ বলে কিছুই থাকবে না।" আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর লখনৌতে হবে আরও একটি মহাপঞ্চায়েত। অন্যদিকে সামনেই উত্তরপ্রদেশে নির্বাচন আর তাঁর আগেই কৃষক নেতাদের এই মহাপঞ্চায়েত ব্যাপক ভাবে সাড়া ফেলবে এটা বলাই যায়।

বিশৃঙ্খলা এড়াতে কড়া ব্যবস্থা যোগী সরকারের
এদিকে বিধানসভা ভোটের আগে কোনও রকম কোনও অরাজক পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক রয়েছে উত্তর প্রদেশ সরকার। প্রায় ৮ হাজার নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, দীর্ঘ দশমাস ধরেই দিল্লির তিন সীমান্তে চলছে কৃষক আন্দোলন। সিঙ্ঘু, টিকরি ও গাজীপুর সীমান্তে চলছে এই আন্দোলন। দেশের প্রায় সমস্ত কৃষক নেতারা এই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications