টুইট তরজায় কখনও ভেঙে পড়তে পারে না ভারতীয় গণতন্ত্রের ভীত, সাফ বার্তা আরজেডির
টুইট তর্জায় কখনও ভেঙে পড়তে পারে না ভারতীয় গণতন্ত্রের ভীত, সাফ বার্তা আরজেডির
কৃষি আন্দোলন নিয়ে মুখ খোলায় ইতিমধ্যেই বিশ্বখ্যাত পরিবশবিদ গ্রেটা থানবার্গের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। এমনকী গ্রেটা ছাড়াও ইতিমধ্যেই দিল্লির প্রতিবাদী কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে পপস্টার রিহানাকে। মুখ খুলেছেন কমলা হ্যারিসের ভাইঝি মিনা হ্যারিসের মতো সেলিব্রিটিরাও। যদিও এর পিছনে বড়সড় চক্রান্তের গন্ধ পেতে শুরু করেছে কেন্দ্র সরকার। এমনকী কৃষক আন্দোলনকে ভারতের 'অভ্যন্তরীণ সমস্যা’ বলে দাগিয়ে দিয়ে সরব হতে দেখা গিয়েছে সরকার ঘনিষ্ঠ বিদ্বজনদেরও। এবার এই ইস্যুতেই মুখ খুললেন রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা ও রাজ্যসভার সাংসদ মনোজ ঝা। কৃষি আইন নিয়ে এদিন রাজ্যসভায় ১৫ ঘণ্টার বিশেষ আলোচনা চলার সময়েই একথা বলতে দেখা যায় তাঁকে।

তাঁর সাফ বক্তব্য কোনও ব্যক্তির টুইটে কোনও আঁচই পড়ে না ভারতীয় গণতন্ত্রে। তাই গণতন্ত্রের ভীত দুর্বল হয়ে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। এদিকে কৃষক আন্দোলন নিয়ে বিদেশী সেলিব্রিটিদের মন্তব্যকে দুর্ভাগ্যজনক বলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে জানিয়েছে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক। বিশ্বের একাধিক খ্যাতনামা ব্যক্ত্বিত্বের প্রতিবাদকে 'চক্রান্ত’ বলেই তুলে ধরতে চাইছে কেন্দ্র। এমনকী সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে পোস্ট করতে দেখা যায় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তবকে।
এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে আরজেডি নেতা মনোজ ঝা বলেন, “আমাদের গণতন্ত্র যথেষ্ট শক্তিশালী, কারও টুইট দ্বারা একে এত সহজে দুর্বল করা যায় না। ” একইসাথে কৃষি আইন নিয়ে কেন্দ্রকে খোঁচা দিয়ে তাকে বলতে শোনা যায়, “ সরকার বলছে যে তারা কৃষকদের দিকে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু আমি এই প্রসঙ্গেই জোর দিয়ে বলতে চাই আসল ঘটনাকে আড়াল করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু কৃষকদের মন বোঝা সর্বাগ্রে প্রয়োজন। দেশ বলতে যেমন শুধু একটুকরো ম্যাপ বা কাগজ বোঝায় না। তেমনই সরকারের দায়িত্ব দেশের মানুষের সঙ্গে সঠিক জনসংযোগ গড়ে তোলা, তা ভাঙা না। ”












Click it and Unblock the Notifications