এবার গোটা দেশে ৪০ লক্ষ ট্রাক্টর নামবে পথে, মোদী সরকারের ঘুম ছোটাতে নয়া রণকৌশলে কৃষকরা
এবার গোটা দেশে ৪০ লক্ষ ট্রাক্টর নামবে পথে, মোদী সরকারের ঘুম ছোটাতে নয়া রণকৌশলে কৃষকরা
আন্দোলন থামবে না। অত সহজে হার মানতে রাজি নন কৃষকরা। মোদী সরকারের উপর চাপ বাড়াতে ফের ট্রাক্টর ব়্যালিক কথা ঘোষণা করলেন কৃষক নেতা। গোটা দেশে কৃষকদের আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে নয়া রণকৌশল নিয়েছেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। তাঁরা দেশজুড়ে ৪০ লক্ষ ট্রাক্টর নিয়ে মিছিল করার কথা ঘোষণা করেছেন। ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকাইট ঘোষণা করেছেন এই কর্মসূচি।

রাস্তায় নামবে ৪০ লক্ষ কৃষক
এখনও ঝিমিয়ে পড়েনি কৃষকদের আন্দোলন। উল্টে আরও উদ্যোম নিয়ে আন্দোলনে ঝাঁপাচ্ছেন কৃষকরা। এবার কৃষক নেতাদের নজরে গোটা দেশ। শুধু পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লির মধ্যে কৃষক আন্দোলনের উত্তেজনা আটকে রয়েছে। এবার সেটা গোটা দেশে ছড়িয়ে দিতেচান তাঁরা। সেকারণে তাঁরা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। এবার গোটা দেশেই ট্রাক্টর নিয়ে পথে নামবেন কৃষকরা। ৪০ লক্ষ ট্রাক্টর কৃষি আইনের বিরোধিতায় গোটা দেশে রাস্তায় নামবে বলে ঘোষণা করেছেন কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইট।

অনড় কৃষকরা
রাজধানী দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষকদের ট্রাক্টর ব়্যালিকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। লালকেল্লায় ঢুকে নিজেদের পতাকা উড়িয়েছিলেন কৃষকরা। পুলিশের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। পুলিশের সঙ্গে কৃষকদের সংঘর্ষে প্রায় ২৯ জন জখম হয়েছিলেন। ঘটনায় খালিস্তানি মদত ছিল বলে দাবি পুলিশের। এই ঘটনা নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল সংসদ অধিবেশনও। দিল্লি পুলিশের ভূমিকার তীব্র নিন্দা করেছিলেন তাঁরা।

আলোচনার প্রস্তাব মোদীর
ফের আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কৃষি আইন নিয়ে কৃষকদের ভুল বোঝাচ্ছেন বিরোধীরা।কৃষি আইনের সুফল সম্পর্কে তাঁদের সচেতন করা হচ্ছে না বলে সংসদে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সব বিরোধিতা ভুলে কৃষকদের আবারও শান্তিপূর্ণ পথে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিরোধীদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন কৃষকদের নিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধি করছেন বিরোধীরা।

কোণঠাসা কৃষক নেতারা
প্রজাতন্ত্র দিবসে লালকেল্লা অভিযানের পর গোটা দেশে নিন্দার মুখো পড়তে হয়েছিল কৃষকদের। আন্দোলনের নামে জঙ্গি কার্যকলাপ করছেন কৃষকরা এমন অভিযোগও শুনতে হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। এক প্রকার কোণঠাসা হয়ে গিয়েছিলেন কৃষকরা। তবে সমালোচনার মুখেও আন্দোলন থামিয়ে রাখেননি তাঁরা। কৃষক নেতারা দাবি করেছিলেন কয়েকজন অশান্তি ছড়িয়েছে তার অর্থ এই নয় যে কষকরা জঙ্গি। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অকারণে শোরগোল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

আন্দোলনে জোর
ফের আন্দোলন জোরদার করার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন কৃষকরা। সিঙ্গু সীমান্তে অবস্থান বিক্ষোভের জোর আরও বাড়ানো হয়েছে। চাক্কা জ্যাম কর্মসূচির সাফল্যের পর গোটা দেশে কৃষকদের দাবি এবং মোদী সরকারের কৃষক বিরোধী আইনের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন কৃষক নেতারা। মোদী সরকারের উপর চাপ বাড়াতে তাই গোটা দেশে কৃষক আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications