শেষ আলোচনা! বৈঠকে বসার আগে কেন্দ্রকে আন্দোলনকারী কৃষকদের 'আল্টিমেটাম'
আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে আজ ফের আলোচনায় বসতে চলেছে কেন্দ্র। তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা। এর জেরে সরগরম রাজধানী ও তার সংলগ্ন এলাকা। এই পরিস্থিতিতে এবার বৈঠকে বসার আগে এদিন কৃষক নেতাদের স্পষ্ট বক্তব্য, এটাই হবে কেন্দ্রের সঙ্গে তাঁদের শেষ আলোচনা।

কেন্দ্র শুধু তারিখের পর তারিখ দিয়ে যাচ্ছে
কৃষকদের অভিযোগ, 'কেন্দ্র শুধু তারিখের পর তারিখ ইস্যু করে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে সব আন্দোলনকারী সংগঠন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আজকের এই বৈঠকই হবে শেষ আলোচনা। সরকারকে আজকেই আইন ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে, নয়ত আমরা আরও জোরদার আন্দোলনে নামব। জাতীয় সড়ক নম্বর ৮ ধরে দিল্লির জন্তরমন্তরের তরফে এগিয়ে যাবেন কৃষকরা।'

বিক্ষোভরত কয়েক হাজার কৃষক জাতীয় সড়কে শিবির করেছেন
আজ দুপুর দু'টোয় দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার ও পীষূষ গোয়েলের সঙ্গে ফের এক দফায় বৈঠকে বসতে চলেছে কৃষক প্রতিনিধিদল। সূত্রের খবর, তার আগে প্রধানমন্ত্রীকে গোটা পরিস্থিতি জানাতে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। কৃষি আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত কয়েক হাজার কৃষক ৯ নম্বর জাতীয় সড়কে শিবির করেছেন। এবং ইউপি গেটের কাছে কৃষকরা অবরোধে করে আছেন জাতীয় সড়কে।

কৃষকনেতারা সংসদে বিশেষ অধিবেশন ডাকতে বলেন
এর আগে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রের সঙ্গে এক দফা বৈঠকে বসেছিলেন কৃষক প্রতিনিধিরা। বৈঠকে কেন্দ্রের তরফে কৃষি আইন সংক্রান্ত কিছু সংশোধনীর ইঙ্গিত দেওয়া হয়। অন্যদিকে কৃষকনেতারা সরকারকে সংসদে একটি বিশেষ অধিবেশনের পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং তিনটি কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে অনড় থাকেন।

কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমারের বক্তব্য
কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার এই আলোচনার পর বলেছিলেন, কেন্দ্র কৃষকদের বিষয়গুলি নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেছে। কৃষকদের আরও আইনি অধিকার দেওয়ার কথা ভাববে সরকার। ন্যূনতম সহায়ক মূল্য থাকবে। বৈঠকে উত্থাপিত বিষয়গুলি নিয়ে সরকার আলোচনা করবে এবং আশা করা হচ্ছে, পরবর্তী আলোচনায় চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্তে আসা যেতে পারে।

কেন্দ্র-কৃষক সংঘাত
প্রসঙ্গত, এর আগে ১ ডিসেম্বর কৃষিমন্ত্রীসহ কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলোচনার সময় কৃষকরা সরকারের পক্ষ থেকে চায়ের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁরা সরকারের কাছ থেকে তাঁদের অধিকারের দাবিতে এসেছেন, চা পান করতে নয়। এরপরও সরকারের পরিবেশিত খাবার খেতে অস্বীকার করেন কৃষকরা। নিজেদের সঙ্গে নিয়ে যাওয়া খাবারই খান তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications