মজদুর-কিষান সঙ্ঘর্ষ সমাবেশ! দিল্লির রামলীলা ময়দানে বামেদের নজরকাড়া জমায়েত
কেন্দ্রের আরএসএস-বিজেপি সরকারের বিরোধিতায় দিল্লির রামলীলা ময়দানে মজদুর-কিষান সঙ্ঘর্ষ সমাবেশ। সরকারের বিরুদ্ধে মানুষ মারা পদক্ষেপের অভিযোগ করে এদিন সিটু এবং সারা ভারত কৃষক সভা এবং সারা ভারত ক্ষেতমজুর ইউনিয়নের ডাকে যৌথ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল।
এই তিন সংগঠনের দাবি, তাদের এদিন সমাবেশ ছিল ঐতিহাসিক। শ্রমিক-কৃষক ঐক্যের অসংখ্য ছবির মধ্যে এদিন জোটবদ্ধ মানুষের বলিষ্ঠ প্রত্যয়ও নজর কেড়েছে দিল্লিবাসীর। লাল পতাকা কাঁধে নিয়ে এদিন বহু মানুষ পা বাড়িয়েছিলেন দিল্লির দিকে।

আক্ষরিক অর্থে এদিন দিল্লির সমাবেশে এসেছিলেন খেত-খামারের 'অন্নদাতা'রা।
এদিনের সমাবেশে হরিয়ানা, পাঞ্জাব, রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, ছত্তিশগড়ের শ্রমজীবীরা যেমন এসেছিলেন, ঠিক তেমনই ছিলেন জম্মু-কাশ্মীর, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, অন্ধ্র প্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কেরালা, কর্ণাটক, তামিলনাডু, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওডিশা, আসাম, ত্রিপুরা, মণিপুর, মেঘালয়, নাগাল্যান্ডের গ্রাম-শহরের খেটে-খাওয়া মানুষজন।

সংগঠনগুলির দাবি গত ছ'মাসের টানা প্রচার আন্দোলনের পরে এই সমাবেশে শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের শপথ নিয়েছেন কৃষক ও শ্রমিকরা।
এদিন সকাল থেকে রামলীলা ময়দানে গণসঙ্গীত পরিবেশন করেছেন বিভিন্ন রাজ্য থেকে আগত গণশিল্পীদের বিভিন্ন দল। তারপরে নেতারা বলেন, জীবিকার অধিকার, সম্মানজনক জীবনমান, সন্তানদের শিক্ষা-স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে মোদী সরকারকে সরানো ছাড়া আর পথ নেই। অর্থনৈতিক সঙ্কট ও দুর্দশা থেকে নজর ঘোরাতে শ্রমজীবীর মধ্যে বিভেদ তৈরির অভিযোগও করেছেন নেতারা।

সিআইটিইউ'র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে হেমলতা ও তপন সেন, এআইকেএস'র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অশোক ধাওয়ালে ও বিজু কৃষ্ণান, এআইএডবলিউইউ'র সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ বিজয়রাঘবন ও বি ভেঙ্কটের পাশাপাশি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সর্বভারতীয় কৃষক নেতা হান্নান মোল্লা, বিপ্লব মজুমদার, নিরাপদ সর্দারদের মতো আরও অনেকে।
এছাড়াও এদিন শ্রমিক-কর্মীদের ১২টি ফেডারেশন, রাজ্য ও কেন্দ্রীয় কর্মী, ব্যাঙ্ক, বিমা, বিএসএনএল শ্রমিক-কর্মী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও সমাবেশে ভাষণ দেন।












Click it and Unblock the Notifications