সিঙ্ঘু সীমান্তে ঝুলন্ত অবস্থায় ফের এক কৃষকের মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য, তদন্তে পুলিশ
আন্দোলনরত এক কৃষকের দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য। আজ বুধবার সকালে সিঙ্ঘু সীমান্তে এক কৃষকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃত ওই কৃষকের নাম গুরমেল সিং বলে জানা গিয়েছে। পঞ্জাবের ফতেগড় অঞ্চলের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।
আন্দোলনরত এক কৃষকের দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য। আজ বুধবার সকালে সিঙ্ঘু সীমান্তে এক কৃষকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। মৃত ওই কৃষকের নাম গুরমেল সিং বলে জানা গিয়েছে। পঞ্জাবের ফতেগড় অঞ্চলের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন।

কি কারনে এই ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে এই ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসাবেই দেখা হচ্ছে। তবে এর পিছনে অন্য কোনও কারন আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য গত কয়েকদিন আগে সিঙ্ঘু সীমান্তে এক কৃষকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। নৃশংস ভাবে তাঁকে খুন করা হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর বেশ কিছু তথ্য সামনে আসে। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।
বারবার এই সীমান্ত এলাকাতে কৃষক হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ইতিমধ্যে ওই মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে। শুধু তাই নয়, পোর্টমোর্টমের জন্যে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে যে, গত কয়েকমাস ধরে কৃষক আন্দোলন চলছে। বুধবার হুড্ডা সেক্টরে সেখানকার পার্কার মলের পাশে গুরমেল সিং নামের ওই ব্যক্তির মৃতদেহ ঝুলতে দেখা যায়। একটি গাছের সঙ্গে নিজেকে বেঁধে ঝুলিয়ে দিয়েছে ওই ব্যক্তি। পঞ্জাব থেকে এসে ওই অঞ্চলে একলাই থাকতেন ওই ব্যক্তি।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রের নয়া কৃষক বিলের প্রতিবাদে লাগাতার আন্দোলণে কৃষকরা। প্রায় কয়েকমাস ধরে চলছে এই আন্দোলন। যদিও মোদী সরকারের তরফে বারবার আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা ভেস্তে যায়। কৃষকদের সাফ বক্তব্য, নয়া এই কৃষক বিল তোলা না হলে আন্দোলন চলবে।
শুধু তাই নয়, রীতিমত সরকারকে সময় বেঁধে দিয়েছে আন্দোলনরত কৃষকরা। ২৯ নভেম্বর দিল্লি চলোর ডাক দিয়েছেন কৃষকরা। তাঁরা হুঙ্কার দিয়েছেন ২৯ নভেম্বর দিল্লি অভিযানের ডাক দিয়েছে তারা। দিল্লিতে সংসদ অভিযানে ডাক দিয়েছেন তাঁরা। হয় দিল্লিতে ঢুকতে চেয়েছেন তাঁরা নয়তো জেলে যাবেন বলে জানিয়েছেন।
আগেই কৃষি আইন প্রত্যাহার করার জন্য ২৮ নভেম্বরের চরম সময়সীমা দিয়ে দিয়েছে তারা। মোদী সরকার তা না করলে চরম পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত সেটা করে দেখাতে চলেছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২৯ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। এর আগে বাদল অধিবেশন চলাকালীনও সংসদ ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন তাঁরা। শেষ পর্যন্ত যদিও যন্তর মন্তরে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন কৃষকরা।












Click it and Unblock the Notifications