Farmer Protest: কৃষকদের আন্দোলন প্রতিহত করতে এবার ফাটলো কাঁদানে গ্যাসের সেল!
শুক্রবার বিকেলে হরিয়ানা-পাঞ্জাব সীমান্তের শম্ভুতে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠলো পরিস্থিতি। জড়ো হওয়া কৃষকদের উপর টিয়ার গ্যাস ছুঁড়লো পুলিশ। 'দিল্লি চলো' মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার বাঁধলো সীমান্তে। আটক একাধিক কৃষক।
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে আসা ভিডিও গুলিতে দেখা গিয়েছে, ৪৪ নং জাতীয় সড়ক জুড়ে কীভাবে পুলিশ ব্যারিকেড করে গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে। আর তাতেই ধরা পড়েছে কৃষকদের জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটাচ্ছে।

কাঁদানে গ্যাসের ধোঁয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বেশ কিছুজন আন্দোলনকারী। তাঁদেরকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অন্যত্র স্থানে। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা চলছে বলেই জানা যাচ্ছে।
অন্যদিকে, কৃষকরা তাদের পদযাত্রা শুরু করার কিছুক্ষণ আগে, এদিন কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান সংসদে বলেন, যে নরেন্দ্র মোদি সরকার এমএসপিতে 'পণ্য ক্রয় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাঁর কথায়, "আমি হাউসকে আশ্বস্ত করতে চাই যে কৃষকদের সমস্ত পণ্য ন্যূনতম সমর্থন মূল্যে ক্রয় করা হবে। এটি মোদী সরকার এবং মোদীজির গ্যারান্টি পূরণ করবে"। সরকার ইতিমধ্যেই ধান, গম, জোয়ার, সয়াবিন কিনছে তিন বছর আগের উৎপাদন খরচের ৫০ শতাংশ হারে।
১০০ জনেরও বেশি কৃষক আজকের মিছিলে পা মেলান। মিছিল করে আসেন ৪৪ নং জাতীয় সড়কে। আর সেখানেই পুলিশ তাঁদের ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয় বলে জানা যাচ্ছে। আর তারপরই পুলিশের সাথে কৃষকদের শুরু হয় ধস্তাধস্তি, ধাক্কাধাক্কি।
যা জানা যাচ্ছে, মিছিল শুরুর কয়েক মিনিট আগে, আম্বালা জেলার বেশ কিছু অংশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের নির্দেশিকা দেওয়া হয়। আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঐ গোটা এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে। জেলা আধিকারিকরা ইতিমধ্যে পাঁচ বা ততোধিক লোকের জমায়েত নিষিদ্ধ করার আদেশও জারি করেছেন। সরকারী-চালিত এবং বেসরকারী উভয় স্কুলকে দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সামান্য কৃষি আন্দোলনের জন্যে এতো কড়া ব্যবস্থাপনা কেন পুলিশের পক্ষ থেকে? তবে কি এই আন্দোলনের পিছনে রয়েছে অন্য কোনও পরিসন্ধি? পুলিশের অবস্থা দেখে কার্যত এমনই সন্দেহ হচ্ছে বিজেপি বিরোধীদের।












Click it and Unblock the Notifications