ইউনিক এপিক নম্বর চালু করা হবে, বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই জয় বলছে তৃণমূল
Fake Voter West Bengal: বিধানসভা ভোটের আগে 'ভূতুড়ে ভোটা'র ইস্যুতে উত্তাল বাংলা! একই এপিক নম্বর বহু ভোটারের নাম। প্রবল চাপের মুখে নির্বাচন কমিশন। এবার এই ইস্যুতে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। একই এপিক নম্বর থাকবে না বলে জানিয়ে দিল কমিশন। ইউনিক এপিক নম্বর চালু করা হবে। এজন্য তিনমাস সময় চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যেই এই সংক্রান্ত প্রাথমিক কাজ শুরু হয়ে যাবে বলেও জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে।
আর এহেন সিদ্ধান্তের পরেই শাসকদল এই ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নৈতিক জয় দেখছে। যদিও এই ইস্যুতে (Fake Voter West Bengal) পাল্টা একাধিক প্রশ্নও শাসকদলের তরফে তোলা হয়েছে। ২৬ এর নির্বাচন জিততে স্বচ্ছ ভোটার তালিকার ডাক দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ভিনরাজ্য অর্থাৎ হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আর এই সমস্ত 'ভূতুড়ে ভোটারদে'র খুঁজতে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বদের ময়দানে নামার ডাক দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বাড়ি বাড়ি ঘুরে এহেন কেলেঙ্কারি খোঁজার কাজ করছেন নেতা-কর্মীরা।
একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের উপরেও লাগাতার চাপ বাড়াতে থাকে বাংলার শাসকদল। কার্যত প্রবল চাপের মুখে এপিক নম্বর নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যে একটি বার্তা দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। যেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, আগামী তিনমাসের মধ্যেই 'ডুপ্লিকেট' এপিক নম্বরের সমস্যা মেটানো হবে। ইউনিক এপিক নম্বর দেবে কমিশন। প্রাথমিক ভাবে ডুপ্লিকেট এপিক নম্বরের ভোটারদের এই সংক্রান্ত নাম দিলেও আগামীদিনে সকল ভোটারের জন্যই ইউনিক এপিক নম্বর পদ্ধতি কমিশনের তরফে চালু করা হবে বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।
যদিও এর আগে এই ইস্যুতে অন্য ব্যাখ্যা দেয় নির্বাচন কমিশন। তারা জানায়, একই এপিক নম্বরে একাধিক নাম থাকা মানেই ভুয়ো ভোটার নয়। এমনকী ভোট কেন্দ্র এবং বিধানসভা কেন্দ্র আলাদা হবে বলেও জানানো হয়। শুধু তাই নয়, কমিশন যুক্তি দেয়, এপিক কার্ডে যে কেন্দ্রের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে সেখানেই ভোট দেওয়া যাবে। কমিশনের নতুন সিদ্ধান্তে তৃণমূল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নৈতিক জয় দেখলেও ফের একাধিক প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়ায় শাসকদল লিখছে, '' একটি দুর্বল ব্যাখ্যা দেওয়ার পর, অবশেষে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকায় কারচুপির বিষয়টি স্বীকার করেছে। এখন, শেষ মুহূর্তে ভুল শোধরাতে চেয়ে তারা নাকি দাবি করেছে মাত্র ৩ মাসের মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান করবে।এই কারচুপির পর্দাফাঁস হওয়ার একমাত্র কারণ হল, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের অনিয়মগুলো প্রকাশ্যে এনে তাদের দায়ী করেছে''।












Click it and Unblock the Notifications