সব্জির মাধ্যমে করোনা ছড়াচ্ছে বাজারের বিক্রেতারা! জানুন আসল তথ্য
সম্প্রতি এক অডিও ক্লিপ খুব ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। তাতে শোনা যাচ্ছে যে কী ভাবে বাজারের দোকানীরা সব্জির মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছেন। তবে এই অডিও ক্লিপটি কতটা সত্যই?

করোনা ছড়াচ্ছেন না সব্জি বিক্রেতারা
আদতে করোনা ভাইরাস এভাবে মটেও ছড়াচ্ছেন না সব্জি বিক্রেতারা। আসল কথা হল, সেই বিক্রেতারা নিজেদের জীবন বিপণ্ণ করে সাধারণ মানুষের কাছে অন্ন ও প্রয়োজনীয় জিনিস পৌঁছে দিচ্ছে এই মানুষরা। এই ভুয়ো অডিও ক্লিপের জন্য তাদের অযথা হেনস্থা করা হচ্ছে অনেক জায়গাতেই।

কালোবাজারি হতে পারে দেশে
এদিকে করোনা প্রকোপ ক্রমেই জাঁকিয়ে বসেছে দেশে। ইতিমধ্যেই দেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭০০-র বেশি মানুষ। মারা গিয়েছে ১৬৬ জন। রোজই নতুন করে কয়েকশো আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলছে। এরই মধ্যে লকডাউনের মেয়াদ বাড়া নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা। এই পরিস্থিতিতে যাতে অত্যাবশ্যক সামগ্রী মজুত করে না রাখা হয় ও জিনিসের কালোবাজারি না হয় সেই দিকে নজর রাখতে রাজ্যগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হল কেন্দ্রের তরফে।

এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট ১৯৫৫-এর ধারার অধীনে ব্যবস্থা
এই বিষয়ে কেন্দ্র সব রাজ্যের মুখ্যসচিবদের চিঠি লিখেছে ও তাদের এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট ১৯৫৫-এর ধারার অধীনে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। ভাল্লা জানিয়েছেন যে কেন্দ্র খাদ্য, ওষুধের ক্ষেত্রে উত্পাদন ও পরিবহনের ওপর ছাড় দিয়েছে। এখনই অত্যাবশ্যক সামগ্রী আইনের ধারা মোতাবেক দাম নিয়ন্ত্রণ, স্টকের ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ, প্রোডাকশন বৃদ্ধি, ডিলারদের গুদাম পরীক্ষা করা যেতে পারে।

আইন ভাঙলে কড়া সাজা
যারা আইন ভাঙবে তাদের সাত বছরের জেল, জরিমানা বা উভয় হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব। একই সঙ্গে শ্রমিকদের অভাবে উত্পাদন কমে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে কালোবাজারির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। এর ফলে দাম বাড়তে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর। কালোবাজারি রুখতে তাই আগেভাগে রাজ্যদের সতর্ক হতে বলেছে কেন্দ্র।












Click it and Unblock the Notifications