উদয়পুরে চিন্তন শিবিরের মধ্যে বড় ধাক্কা কংগ্রেসে! দল ছাড়লেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ও প্রভাবশালী নেতা
দল ছাড়লেন কংগ্রেস (congress) নেতা সুনীল ঝাখর (Sunil Jakhar)। একটা সময়ে তিনি যেমন কংগ্রেসের সাংসদ ছিলেন, অন্যদিকে পঞ্জাব (Punjab) প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতিও ছিলেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে কংগ্রেস তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক
দল ছাড়লেন কংগ্রেস (congress) নেতা সুনীল ঝাখর (Sunil Jakhar)। একটা সময়ে তিনি যেমন কংগ্রেসের সাংসদ ছিলেন, অন্যদিকে পঞ্জাব (Punjab) প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতিও ছিলেন তিনি। সাম্প্রতিক সময়ে কংগ্রেস তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় এবং তাঁকে সব পদ থেকে সরিয়ে দেয়।
|
সোশ্যাল মিডিয়ায় দিল কি বাত
দিল কি বাতের আগে তিনি সব ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কংগ্রেস সম্পর্কিত বিষয় সরিয়ে দেন। দল তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরেই প্রথমে টুইটার বায়ো থেকে কংগ্রেস সরিয়ে দেন। এরপর টুইটার অ্যাকাউন্টের ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজে কংগ্রেসের পতাকার জায়গায় জাতীয় পতাকা দিয়ে দেন।
এদিন ফেসবুক লাইভে তিনি দলের সৌভাগ্য কামনা করেন। দল ছাড়ার ঘোষণার সময়েও তিনি বলেন, কংগ্রেসের জন্য তিনি মমতার অনুভব করেন।

দল ২ বছরের জন্য সব পদ থেকে সরিয়ে দেয়
সুনীল ঝাখর ছিলেন পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি। একটা সময়ে তিনি সাংসদও ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ জমা পড়েছিল সোনিয়া গান্ধীর কাছে। এরপর দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির সুপারিশ মতো তাঁকে দুবছরের জন্য দলের সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত বিধানসভা নির্বাচনের সময়ই তিনি ঘোষণা করেছিলেন, সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে যাবেন তিনি। সুনীল ঝাখর উত্তর প্রদেশের নির্বাচনে কংগ্রেসের খারাপ ফলের বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য একটি অতিরিক্ত কমিটি তৈরির প্রয়োজন হয়েছিল।

চিন্তন শিবিরে লাভ হবে না
এই মুহূর্তে রাজস্থানের উদয়পুরে চলছে কংগ্রেসের চিন্তন শিবির। সেই সময় এহেন নেতার পদত্যাগ শতাব্দী প্রাচীন একটি দলের কাছে বড় ধাক্কা। সুনীল ঝাখর দলের তিন্তন শিবির নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, চিন্তন শিবির করে কোনও লাভ হবে না। দলের সংস্কারের ওপরেও জোর দিয়েছিলেন এই নেতা। দলের এই অনুষ্ঠানকে নিছক আনুষ্ঠানিকতা বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেছিলেন, পঞ্জাবে দলের পরিস্থিতি খারাপ। কংগ্রেস নেত্রী অমিকা সোনিকেও তীব্র আক্রমণ করেছিলেন সুনীল ঝাখর।

অমরিন্দর সিং-এর অপসারণের সময় থেকেই সূত্রপাত
অমরিন্দর সিংকে মুখ্যমন্ত্রীর আসন থেকে সরানোর সময়েই দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সঙ্গে গণ্ডগোলের সূত্রপাত। কংগ্রেস হাইকমান্ড পঞ্জাব নিয়ে বিশেষ এক নেতার কথায় চলছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন তিনি। অম্বিকা সোনির নাম করে তিনি সোনিয়া গান্ধীর কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন। সুনীল ঝাখর বলেছিলেন, তাঁর ৩ প্রজন্ম ৫০ বছর ধরে কংগ্রেসের সেবা করে আসছে। সেই পরিস্থিতিতেও দলের পার্টি লা না মানার জন্য, দলের সব পদ কেড়ে নেওয়া তিনি মেনে নিতে পারেননি বলেও জানিয়েছিলেন সুনীল ঝাখর।












Click it and Unblock the Notifications