Tripura Elections 2023: বাম-কং নির্বাচনী সমঝোতায় ভয় পাচ্ছে বিজেপি! অমিত শাহকে পাল্টা মানিক সরকার
ত্রিপুরায় বিজেপির নিশানায় বাম-কংগ্রেস আসন সমঝোতা। কোথাও কি বিজেপি এই সমঝোতাকে ভয় পাচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলে দিলেন মানিক সরকার। তাঁর দাবি হারানো ভোট ফিরবে এবার।
গত পাঁচ বছরে বিজেপি ত্রিপুরায় গণতন্ত্রের গলা টিপে ধরেছে। নির্বাচনী প্রচারে এমনটাই অভিযোগ করলেন, ত্রিপুরায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। ত্রিপুয়ার বাম-কংগ্রেসের নির্বাচনী সমঝোতা একটি নৈতিক ভিত্তির ওপরে তৈরি বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর আরও দাবি, উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে একত্রিত হতে দেখে ফ্যাসিবাদী বিজেপি ভয় পাচ্ছেন।

অমিত শাহের নিশানায় বাম-বিজেপি
সোমবার ত্রিপুরায় জোড়া সভা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই শান্তিরনগরের সভা থেকে অমিত শাহ বলেন, কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার অর্থ সিপিআইএমকে ভোট দেওয়া। আর সিপিআইএমকে ভোট দেওয়ার অর্থ রাজ্যে সন্ত্রাসের বাতাবরণ ফিরিয়ে আনা। তিপ্রা মোথার বিরুদ্ধে এই দুইদলের সঙ্গে যোগসাজসের অভিযোগও তিনি করেছিলেন।

বিজেপির ভাবার বিষয়
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই কথা উত্তর দিতে গিয়ে সুরমা বিধানসভা কেন্দ্রে করা সভা থেকে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার বলেন, বিজেপিকে অবশ্যই তার দুই প্রতিদ্বন্দ্বী কীভাবে সমঝোতা করেছে, তা নিয়ে ভাবতে হবে। তিনি বলেন, বিজেপি এই নির্বাচনী সমঝোতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বাস্তব হল, ত্রিপুরার জনগণ ফ্যাসিবাদী শাসককের ক্ষমতা থেকে উৎখাত করতে চায়। তিনি বলেন, জনগণের আশা আকাঙ্খার ওপরে ভিত্তি করে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে সমঝোতা করেছে বাম-কংগ্রেস।
মানিক সরকার বলেন, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা পুনরুদ্ধার এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একে অপরকে সাহায্য করছে। দেশকে বাঁচাতে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাক দেন তিনি।

ভয় পাচ্ছে বিজেপি
মানিক সরকার বলেন, বাম-কংগ্রেসের নির্বাচনী সমঝোতায় ভয় পাচ্ছে বিজেপি। তাদের ঝুলিতে যাওয়া অউপজাতি কংগ্রেসী ভোটও হারাতে চলেছে। তিনি বলেন, অউপজাতি কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা বামফ্রন্টকে হারাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য সেই সময় বিজেপিতে যাওয়া সুদীপ রায় বর্মন কংগ্রেসে ফিরেছেন। এবং তিনিই রাজ্যে কংগ্রেসের তরফে একমাত্র বিধায়ক। তাদের সঙ্গেই এবার আসন সমঝোতা হয়েছে বামফ্রন্টের।

বিজেপির পরাজয় অনিবার্য
ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এবারের নির্বাচনে বিজেপির পরাজয় অনিবার্য। তিনি রাজ্যে বিজেপির ভোটপ্রাপ্তির পরিসংখ্যান উল্লেখ করে বলেন, ২০১৩ সালের নির্বাচনে বিজেপির ভোট প্রাপ্তি ছিল ৫ শতাংশের কম। আর ২০১৮-র নির্বাচনে বিজেপি এবং তাদের জোট সঙ্গী আইপিএফটি প্রায় ৫০ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। অন্যদিকে কংগ্রেস ২০১৩-র নির্বাচনে ৪১ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। আৎ পাঁচবছর আগে ২০১৮ সালে তারা বিজেপির কাছে ৩৯ শতাংশ ভোট হারায়। বামেরাও ২০২৮-র নির্বাচনে ৬-৭ শতাংশ ভোট হারিয়েছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন












Click it and Unblock the Notifications