Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

হারলেই ইভিএমের দোষ! বিরোধীদের সেই একই কৌশল এবার ফাঁস

ভোটে না জিততে পারলেই ইভিএমের উপর দায় চাপানো! এ যেন একটা রীতি হয়ে উঠেছে ভারতীয় রাজনীতিতে। মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনে ফের একবার উঠে এল সেই একই ছবি। এমনকী শোলাপুর মর্কদ‌ওয়াড়ি (Markadwadi) গ্রামে অবৈধ ভাবে ব্যালট ব্যবহার করে নতুন করে নির্বাচনের ছবিও দেখা গিয়েছে। যদিও পরে সেই পুননির্বাচন বাতিল হয়ে গিয়েছে। আর তাতে অসন্তুষ্ট হয়েছেন এনসিপি শরদ পাওয়ার গোষ্ঠীর বিধায়ক উত্তম রাও জানকর।

তিনি বিজেপির রাম সাতপুতের কাছে হেরে যান মর্কদ‌ওয়াড়ি কেন্দ্রে। যদিও মালসিরাজ আসন থেকে ১৩ হাজার আসন থেকে জিতেছেন তিনি। ইভিএমের উপর সন্দেহপ্রকাশ করে গ্রামের মানুষরাই একটি ব্যানারে পুননির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু প্রশাসনের তরফে সেই অনুমোদন দেওয়া হয়নি। স্থানীয় সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট পুরো বিষয়টি অবৈধ বলে উল্লেখ করেন।

Opposition

EVM: কংগ্রেসের আনা ইভিএমই বলির পাঁঠা

এটা উল্লেখ করাই যায় যে এই কংগ্রেসই ইভিএম নিয়ে এসেছিল। আর এখন সেই ইভিএমই এখন তাঁদের বিরোধের অন্যতম অস্ত্র। অনেকেই বলছেন, দেশের প্রধান বিরোধী দলের কাছে কার্যত বলির পাঁঠা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জয়েশ নামে গ্রামের এক বাসিন্দা বিরোধীদের কীর্তি দেখে বলছেন, ''এরা তো গণতন্ত্রকেই প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। ভুলে গেলে চলবে না যে এই কংগ্রেসই ইভিএম নিয়ে এসেছিল। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন ওঠে ফলাফল উল্টো হলে কেন কেউ কোনও অভিযোগ তোলে না। যেমন মহা বিকাশ আঘাড়ি যখন এই মেশিনের সাহায্যে জিতেছিল তখন কেউ কোনও প্রশ্ন তোলেনি।

Opposition

Markadwadi Speaks: ভোটাররা সব জানে

মার্কয়াদওয়াড়ি (Markadwadi)- র আসল ছবিটা একেবারেই ভিন্ন। বিজেপির রাম সতপুতে এই আসনে হেরে যাওয়া সত্ত্বেও তাঁর উন্নয়নমূলক কাজের জন্য মানুষের সমর্থন পেয়েছেন। গ্রামেরই বাসিন্দা কুশল উল্লেখ করেছেন রাম সতপুতেকে সমর্থন করার যথেষ্ট কারণ আছে। শুধু তাই নয়, টুরিস্ট সেন্টার তৈরি করা সহ একাধিক উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। লড়কি বহিন যোজনা কীভাবে ভোটারদের মনে জায়গা করে নিয়েছে সেটাই মনে করিয়ে দিচ্ছে এলাকার মানুষজন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা ওংকার এই প্রসঙ্গে বলছেন, ব্যালট পেপারে ফিরে গেলেও ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। তবে লড়কি বহিন যোজনার প্রভাব অস্বীকার করা যায় না।

Opposition

রাজনৈতিক সুযোগ সন্ধান বনাম বাস্তব

বিরোধীদের ইভিএম কেলেঙ্কারি'র অভিযোগ রাজনৈতিক সুযোগ সন্ধানের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। গ্রামের বাসিনা মিঠুনের কথায়, এই ধরনের অভিযোগ অসাংবিধানিক। তিনি বলছেন, ''সমস্যা যদি ছিলই তাহলে লোকসভা ভোটের সময় কেন বলা হল না''। বিজেপি যখন একেবারে তৃণমূল স্তরে উন্নয়নের দিকে জোর দিচ্ছে তখন বিরোধীদের এই আচরন তাঁদের দক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে। আদেশ গুপ্তা বলছেন, ভোটারা জানে তাঁদের ক্ষমতা। তাঁরা এই রাম সতপুতেকে তাঁর অবদানের জন্যেই ভোট দিয়েছে। দেবেন্দ্র ফড়ণবিস, একনাথ শিণ্ডে এবং অজিত পাওয়ারের দুর্নীতি মুক্তি প্রশাসন সবারই নজর কেড়েছে বলেও মন্তব্য করছেন আদেশ গুপ্তা।

তছরুপ নয়, স্বচ্ছতা

খুব সুক্ষ ভাবে দেখলেই বোঝা যাবে এই ইভিএম তছরুপের বিষয়টি আসলে একেবারে মিথ্যা। অলোক প্রশ্ন তুলছেন, অভিযোগ যদি ছিলই তাহলে লোকসভা নির্বাচনের সময় তা সামনে এল না কেন! ফলাফল যদি ওদের পক্ষে যায় তাহলে সেটা গ্রহণযোগ্য, আর সেটা না হলেই উঠছে অভিযোগ। আসলে যে এই দ্বিচারিতায় বিরোধীদের অপদার্থতা সামনে আনছে। ষড়যন্ত্রের উপরেই বিরোধীরা যে ভরসা রাখছে সেটাই প্রকাশ্যে আনছে।

Opposition

ভোটারদের রায় শিরোধার্য

গ্রামবাসীরা ফের পুনঃনির্বাচনের পরিকল্পনা করেছিলেন। আর সেটাই বুঝিয়ে দেয় রাজনৈতিক মত কত তাড়াতাড়ি জনমানসে প্রভাব ফেলে। তাই কখনই সামান্য প্রাপ্তির জন্য নেতাদের এভাবে মানুষকে প্রভাবিত করা উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোটাররা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তারা উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছেন, কোন বিভাজনের রাজনীতির পক্ষে নয়।

দীনেশ বলছেন ইভিএম যদি তছরূপ হয়েও থাকে আমরা মানুষের রায়কে সমর্থন করি, সম্মান করি। আমরা চাই বিরোধীরাও একই কাজ করুক। সবাই সব পদ্ধতিকে সমর্থন করলে গণতন্ত্র সঠিকভাবে চলে। ভোটাররা তাদের রায়ই দেবে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+