মোদীর অনুষ্ঠানে প্রত্যেক কলেজ থেকে পাঠাতেই হবে ১০০ ছাত্রছাত্রী! বিজেপি শাসিত রাজ্যে সরকারি নির্দেশিকায় বিতর্ক
বৃহস্পতিবার ২৬ তম জাতীয় যুব দিবসের অনুষ্ঠানে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে তার আগে সেই অনুষ্ঠানে আবশ্যিক উপস্থিতি থাকতে নির্দেশিকা জারি করে বিতর্কে বিজেপি শাসিক কর্নাটকের শিক্ষা দফতরের প্রাক বিশ্ববিদ
বৃহস্পতিবার ২৬ তম জাতীয় যুব দিবসের অনুষ্ঠানে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে তার আগে সেই অনুষ্ঠানে আবশ্যিক উপস্থিতি থাকতে নির্দেশিকা জারি করে বিতর্কে বিজেপি শাসিক কর্নাটকের শিক্ষা দফতরের প্রাক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার ডেপুটি ডিরেক্টর।

১০০ ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতি মাস্ট
কর্নাটকের প্রাক-বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার ডেপুটি ডিরেক্টর কৃষ্ণ নায়েক সব সরকারি এবং সাহায্যপ্রাপ্ত এবং অনুদান প্রাপ্ত প্রি-ইউনিভার্সিটি কলেজের অধ্যক্ষদের কাছে চিঠি পাঠিয়ে বলেছিলেন, প্রত্যেক কলেজ থেকে অন্তত ১০০ জন ছাত্রছাত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকদেরও বলা হয় রেলওয়ে স্পোর্টর্স গ্রাউন্ডে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে। সরকারি নির্দেশিকায় উল্লেখ করা বলে হয়, এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ছাত্রছাত্রীদের পরিচয়পত্র পরতে হবে এবং তাঁদের জন্য দুপুরের খাবারের বন্দোবস্তও করা হবে।

নির্দেশের ভুল ব্যাখ্যা
এব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে, ডেপুটি কমিশনার গুরু দত্ত হেগড়ে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাদের নির্দেশের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য বাধ্যতামূলক কোনও নির্দেশ জারি করা হয়নি। তারা বলেছিলেন, অনলাইন ইভেন্টের জন্য নথিভুক্ত করার পরে শুধুমাত্র আগ্রহী কলেজের ছাত্রছাত্রীদের অংশ গ্রহণের কথাই তারা বলেছিলেন।

সরকারি পর্যায়েই ভুল
ডেপুটি কমিশনার গুরু দত্ত হেগড়ে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন, ডেপুটি ডিরেক্টর কৃষ্ণ নায়েকের সঙ্গে। তারপরেই জানানো হয়, আগেকার সরকারি নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে কলেজ প্রতি ছাত্রছাত্রীদের কোনও লক্ষ্যমাত্রা না রেখেই নতুন করে আরেকটি নির্দেশিকা জারি করা হবে। ডেপুটি কমিশনারের নির্দেশিকার ভুল বোঝার জন্য ডেপুটি ডিরেক্টর নিজে ক্ষমা প্রার্থী বলে জানান।

কংগ্রেসের অভিযোগ
এদিকে বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেসের অভিযোগ, কলেজের অধ্যক্ষ এবং ম্যানেজমেন্টকে চাপ দিয়ে ছাত্রদের জোর করে অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। কটাক্ষ করে কংগ্রেস বলেছে, মোদীর অনুষ্ঠানে কম উপস্থিতির ভয়ে বিজেপি নেতারা সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। তবে কর্নাটকে এই ধরনের ঘটনা এই প্রথমবার নয়। মাস দুয়েক আগে বেঙ্গালুরুতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর অনুষ্ঠান ভরাতে এমনই এক নির্দেশিকার জেরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications