ভারতকে আফগানিস্তান হতে দিতে চাই না, কাশ্মীর পরিদর্শনে নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইইউ প্রতিনিধিদের
মঙ্গলবার সন্ধেয় কাশ্মীরের কুলগাঁওয়ে হত্যা করা হয় পশ্চিমবঙ্গের ৫ শ্রমিককে। এঁবা সবাই মুর্শিবাদার জেলার সাগরদিঘির বাসিন্দা।
ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের কাশ্মীর পরিদর্শন ঘিরে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছিল গোটা দেশে। ভারতের সার্ভভৌমত্বে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধীরা। এই তীব্র সমালোচনার মাঝেই নিজেদের কাশ্মীর পরিদর্শন নিয়ে সাফাই গাইলেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা। তাঁরা জানিয়েছেন কাশ্মীর যাতে আফগানিস্তানের মতো সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্রে পরিণত না হয় সেকারণেই এই পরিদর্শন জরুরি ছিল।

কাশ্মীরকে আফগানিস্তান হতে দিতে চাই না
কাশ্মীর আফগানিস্তানের মতো সন্ত্রাস বিধ্বস্ত এলাকায় পরিণত হোক এটা কোনও ভাবেই চান না ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা। সেকারণেই এই পরিদর্শন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। ভারতের সার্বভৌমত্বে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য তাঁদের নেই বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। ভারত কাশ্মীরের অভ্যন্তরীন বিষয় ছিল সেটাই থাকবে।

ভারতের নাগরিকের মতই কাশ্মীর পরিদর্শন
ভারতের নাগরিকের মত করেই কাশ্মীর পরিদর্শন করা হয়েছে। এমনই জানিয়েছেন ইইউ-র প্রতিনিধিরা। তাঁরা দাবি করেছেন ভারতের নাগরিকের চোখ দিয়েই তাঁরা গোটাটা খতিয়ে দেখেছেন। সেখান স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন। ভারতের কোনও সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করার উদ্দেশ্য তাঁদের নেই বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।

উত্তেজনা কমাতে আলোচনা জরুরি
কাশ্মীরে যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়ে রয়েছে তার জন্য দিল্লি এবং ইসলামাবাদের মধ্যে আলোচনা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন তাঁরা। আলোচনার মাধ্যমেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যাবে এমনই দাবি প্রতিনিধিদের।
গত ৩ অগস্ট কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপ করার কথা ঘোষণা করে মোদী সরকার। তার পর থেকে এক প্রকার গোটা দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে কাশ্মীর। সেখানকার বাসিন্দাদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে পাকিস্তান।












Click it and Unblock the Notifications