কেন্দ্রের আবেদন মঞ্জুর,গুয়াহাটি হাই কোর্টের সিবিআই রায়ে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ

প্রধানমন্ত্রী দফতরের প্রতিমন্ত্রী ভি নারায়ণস্বামী শুক্রবারই এটর্নি জেনারেল জি ই ভাহনভাটির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। গুয়াহাটি হাই কোর্টের রায়ের আইনি বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করেন তারা। এটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন রায় আপাত ত্রুটি থাকার কারণে শীর্ষ আদালতে এই বিষয় আবেদন জানানো উচিৎ। তার পরে এদিনই সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন জানায় কেন্দ্র।
শনিবারই গুয়াহাটি হাই কোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্ট আবেদন জানায় কেন্দ্র। মামলার গুুরুত্ব বুঝে শনিবারই কেন্দ্রের আবেদন মঞ্জুর করে শীর্ষ আদালত।
এটর্নি জেনারেল কেন্দ্রকে জানিয়েছেন, হাই কোর্টের রায়ে ভ্রম রয়েছে। শুক্রবার হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, দিল্লি বিশেষ পুলিশ সংস্থাপন আইন এর সাংবিধানিক বৈধতা থাকলেও সিবিআই এই আইনের অঙ্গ বা অংশ নয়। এই আইনের অধীনে সিবিআই পুলিশ বাহিনী হিসাবে গণ্য করা যাবে না। যদিও সরকার পক্ষের উকিল জানিয়েছেন, দিল্লি বিশেষ পুলিশ সংস্থাপন আইন-এর ২ ধারা অনুযায়ী সিবিআই কৃর্তপক্ষ পুলিশ সংস্থা স্বরূপ কাজ করতে পারবে এবং ফৌজদারি বিধির অধীনে রাষ্ট্র পুলিশের সদৃশ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে।
আইনের ২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের তদন্ত করার জন্য একটি বিশেষ পুলিশ বাহিনী গঠন করার ক্ষমতা প্রদান করে কেন্দ্র সরকারকে। এই ধরণের বিশেষ বাহিনী পুলিশ কর্মকর্তাদের ন্যায় অপরাধ সংক্রান্ত তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করার জন্য সমস্ত ক্ষমতা, দায়িত্ব, সুবিধা ও দায় ভোগ করবে।
হাই কোর্ট অবশ্য সিবিআই-এ গঠন পক্রিয়াতে দৃষ্টি নিক্ষেপ করেছে। ১৯৬৩ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রস্তাবের ভিত্তিতে গঠিত এই বাহিনী অসাংবিধানিক। আইনত এর গ্রহণযোগ্যতা নেই। কারণ, রাষ্ট্রপতির সম্মতি না নিয়েই এই বাহিনী গঠন করা হয়েছে। এমনকী বিশেষ পুলিশ সংস্থাপন আইন-এ এই বাহিনীর নাম সিবিআই বলে কোথাও উল্লেখ করা হয়নি বলেও হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ চিহ্ণিত করে।












Click it and Unblock the Notifications