বেতন সংকটে জর্জরিত সরকারি কর্মীরাও! প্রসার ভারতী ও তথ্য-সম্প্রচারমন্ত্রক দ্বন্দ্ব তীব্র
তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও প্রসার ভারতীর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে আরও সংকট তৈরি হল কর্মচারীদের বেতন নিয়ে। তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের নয়া পদক্ষেপে জোর ধাক্কা খেল প্রসার ভারতী কর্মচারীরা।
তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও প্রসার ভারতীর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে আরও সংকট তৈরি হল কর্মচারীদের বেতন নিয়ে। তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের নয়া পদক্ষেপে জোর ধাক্কা খেল প্রসার ভারতী কর্মচারীদের বেতন সমস্যার সমাধান। তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রক কর্মচারীদের বেতনসংক্রান্ত তহবিল উন্মুক্ত করছে না কিছুতেই। তথ্য-সম্প্রচাপ মন্ত্রকের এই অস্বীকারে গভীর সংকটে পড়েছেন প্রসার ভারতীর কর্মীরা। তার উপর দুই সিনিয়র সাংবাদিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এবং অতিরিক্ত পারিশ্রমিকে তাঁদের নিযুক্তের সুপারিশ করা হয়েছে। তাতে আরও সমস্যা বৃদ্ধি পেতে চলেছে বেতন সংকট।

২০১৭-র ডিসেম্বর থেকে বেতন সমস্যা তৈরি হয় প্রসার ভারতীতে। তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রক বেতনের টাকা দিতে অস্বীকার করায় সমস্যা বাড়তে থাকে। এর ফলে জন পরিষেবা সম্প্রচারকারীরা তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা বেতন বিলি করতে বাধ্য হয়। আর এই পরিস্থিতি যদি চলতে তাকে তবে প্রসার ভারতীর কাজকর্ম স্তব্ধ হয়ে যাবে অদূর ভবিষ্যতে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক অফিসারই এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
প্রসার ভারতীর কর্মচারীদের জন্য বছরে ২৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকে। সেখান থেকে বেতন দেওয়া হয়। প্রতি মাসে মন্ত্রণালয় নানা প্রশ্ন তুলে বেতনের সেই টাকা আটকে রেখেছে। ফলে সমস্যা বেড়েই চলেছে প্রসারভারতীর। যদি তহবিলের ওই টাকা খুব শীঘ্রই না মিটিয়ে দেওয়া হয়, তবে প্রসার ভারতী বোর্ডের সম্প্রচার চালানো সংকটজনক হয়ে পড়বে।
শীর্ষস্থানীয় প্রসার ভারতী বোর্ডের এক সদস্যও বার্তা দিয়েছেন যে, পাবলিক সার্ভিস সম্প্রচারকারীরা যদি চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের অপসারণ না করে, তবে তহবিল বন্ধ করে দেওয়া হবে। প্রসার ভারতী এই প্রস্তাব সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে। এই দাবি বেআইনি বলেও ব্যাখ্যা করা হয়েছে প্রসারভারতীর পক্ষ থেকে। এখন দুটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে হাজার হাজার দূরদর্শন ও অল ইন্ডিয়া রেডিও কর্মচারীদের বেতন দেরি হচ্ছে। তৈরি হচ্ছে সম্প্রচার সংকট।












Click it and Unblock the Notifications