উত্তর প্রদেশে ঘরে ঘরে আলোর কর্মসূচি! সবাইকে বিদ্যুৎ সংযোগের লক্ষ্যমাত্রা যোগী সরকারের
উত্তর প্রদেশের প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে যোগী প্রশাসন। অন্ধকার মুক্ত উত্তর প্রদেশ তৈরির লক্ষ্যমাত্রা রাখার পাশাপাশি বিদ্যুৎ চুরি রোধ করারও কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। উত্তর প্রদেশ পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেড আওতায় প্রায় ৩.২৭ কোটি বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছেন।
উত্তর প্রদেশের জনসংখ্যার হিসেবে মোট পরিবারের সংখ্যার তুলনায় গার্হস্থ্য বিদ্যুৎ সংযোগের সংখ্যা কম। অভ্যন্তরীন সংযোগের সংখ্যাটা প্রায় ২ কোটি ৮৮ লক্ষের মতো। যে সব পরিবার বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে কিন্তু সংযোগ নেয়নি, তাঁদেরকে নিয়ম অনুযায়ী সংযোগ দেওয়া হবে।

উত্তর প্রদেশ সরকারের অভিযান কে সফল করতে উত্তর প্রদেশ পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেডের তরফে এক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে. যেসব পরিবার বিদ্যুদায়ন থেকে বঞ্চিত তাঁদেরকে চিহ্নিত করা হবে। যেসব বাসস্থানে বৈধ সংযোগ নেই, সেইসব বাড়িও সনাক্ত করা হবে।
সরকারের অভিযানকে সফল করতে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা গ্রাম পঞ্চায়েতে থাকা পারিবারিক রেজিস্টার এবং শহরে থাকা জল কর এবং বাড়ির করের বিষদ বিবরণ এবং রেশন কার্ডের বিবরণ দেখে বিদ্যুৎ সং।যোগ আছে কিনা তা খুঁজে বের করবেন। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংযোগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এই কাজে ইন্টার কলেজ, আইটিআই, পলিটেকনিক, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের যুক্ত করা হবে। এছাড়াও রাজ্য জীবিকা মিশনের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় প্রচুর স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং সহযোগীরা কাজ করছে। তাঁদেরকে জেলাশাসক এই সমীক্ষার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করবেন।
সমীক্ষা চালানোর সময় যদি বিদ্যুৎ চুরির বিষয়টি ধরা পড়ে, তাহলে সেই বাড়ি ও পরিবারকে বৈধ সংযোগ নিতে উদ্বুদ্ধ করা হবে। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রী, স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে উৎসাহ ভাতা হিসেবে ১০০ টাকা করে দেওয়া হবে। টাকা ছাড়াও ভাল কাজের সার্টিফিকেটও দেওয়া হবে।
এই ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সংযোগে আবেদন করা যাবে শুধুমাত্র অনলাইনে। তবে আবেদন করতে অসুবিধা হলে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার, সহকারী ইঞ্জিনিয়ার এবং নির্বাহী প্রকৌশলী এব্যাপারে সাহায্য করবেন। বিদ্যুৎ চুরির জন্য যাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে, তাঁদেরও সংযোগ দেওয়া হবে।












Click it and Unblock the Notifications