Electric Train Engine: শুধুমাত্র একটা ইলেকট্রিক তারেই কীভাবে ছোটে ট্রেন? পিছনের তথ্যটা জানেন
Electric Train Engine: সময়ের সঙ্গে বদল ঘটছে ট্রেনের প্রযুক্তিতেও! বদল এসেছে রেলের ইঞ্জিনেও। এখন ভারতীয় রেলের বেশিরভাগ ট্রেনই বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনের সাহায্যে চলছে। যার ফলে ট্রেনগুলির গতি অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। তবে এখনও বেশ কিছু ট্রেন রয়েছে যা ডিজেল ইঞ্জিনের মাধ্যমেই চালানো হয়।
ইলেকট্রিক লোকোমেটিভ এবং ডিজেল লোকোমেটিভ দুটিই ব্যবহার করা হয় ভারতীয় রেলে। কিন্তু জানেন কি ট্রেনের ইলেকট্রিক ইঞ্জিন (Electric Train Engine) কীভাবে কাজ করে? একটি তারেই কীভাবে চলে ট্রেনটি।

এমনকি ট্রেনের গতিও তো সবসময় এক থাকে না। কখনও দ্রুত গতিতে ছোটে ট্রেন আবার কখনও কমিয়ে দেওয়া হয় গতি। এই প্রতিবেদনে এমন কিছু তথ্য আলোচনা করা হল যা জানলে আশ্চর্য হবেনই।
Electric Train Engine: এক তারে কীভাবে চলে ট্রেন?
ডিজেল লোকোমোটিভে ইঞ্জিনের ভিতরে বিদ্যুৎ (Electric Train Engine) উৎপন্ন হয়। কিন্তু ইলেকট্রিক ইঞ্জিনের বিদ্যুৎ ওভারহেড তার থেকেম আসে। ট্রেনের মাথায় থাকা প্যান্টোগ্রাফের সঙ্গে যুক্ত করা হয় ওভারহেড তারকে। আর সেই তার থেকেই বিদ্যুৎ ট্রেনের ইঞ্জিনে ক্রমশ আসতে থাকে। তবে বিদ্যুৎ সোজা মোটরের কাছে যায় না। প্রথমে ট্রেনে লাগানো ট্রান্সফোর্মারের কাছে যায়। আর এই ট্রান্সফোর্মারের কাজ ভোল্টেজ কম কিংবা বেশি করা। ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণের কাজটি একটি সুইচের সাহায্যে ইঞ্জিনে বসে লোকো পাইলট করেন।
Electric Train Engine: প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে
সার্কিট ব্রেকার থেকে আউটপুট কারেন্ট ট্রান্সফোর্মার এবং সেমি কন্ডাক্টরকে ডিস্ট্রিবিউট করে থাকে। অল্টারলেটিভ কারেন্ট (Electric Train Engine) প্রথমে একটি ট্রান্সফরমারে পাঠানো হয়। যা গোটা অপারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ তৈরি করে। এরপর অল্টারলেটিভ কারেন্ট রেক্টিফায়ার ট্রান্সফার করা হয়। যেখান থেকে ডায়রেক্ট কারেন্টে বদল করা হয়।
এছাড়াও, অক্সিলিয়ারি ইনভার্টারের সাহায্যে ডিসিকে থার্ড ফেজ এসি-তে নিয়ে আসা হয়। এই কারেন্ট চাকার সঙ্গে সংযুক্ত থাকা ট্র্যাকশন মোটর নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। যখনও মোটর ঘুরতে শুরু করে, তখনই চাকাগুলি ঘুরতে শুরু করে।
Electric Train Engine: দুই ধরনের প্যান্টোগ্রাফ
ভারতীয় রেলে দুই ধরনের পেন্টোগ্রাফ (Electric Train Engine) লাগানো থাকে। সাধারণ যাত্রীবাহী ট্রেনগুলিতে থাকা ইঞ্জিনগুলিতে হাইস্পিডের প্যান্টোগ্রাফ ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে ডবল ডেকার কোনও যাত্রীবাহী ট্রেনকে নিয়ে যখন ছুটতে হয়, কিংবা পণ্যবাহী ট্রেনের ক্ষেত্রে চলমান ইঞ্জিনগুলিতে হাই রিচের (WBL) প্যান্টোগ্রাফ ব্যবহার করা হয়।
এই প্যান্টোগ্রাফ যখন ওভারহেডের বিদ্যুতের তারের সঙ্গে কানেক্ট হয় তখন বিদ্যুতের ঝলক দেখতে পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে অবশ্য কোনও ক্ষতি হয় না।












Click it and Unblock the Notifications