বাংলায় SIR! আজ বিকেলেই সাংবাদিক বৈঠক কমিশনের, কী কী ঘোষণা হতে পারে? জানুন
সোমবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন সাংবাদিক বৈঠকের ডাক দিতেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের একাধিক রাজ্যে ভোটার তালিকায় বিশেষ সংশোধনের (এসআইআর) দিনক্ষণ ঘোষণা করা হবে কিনা সেই বিষয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন দেশের মধ্যে বিহারে প্রথম এসআইআর শুরু করে। প্রাথমিক ভাবে বিহারে ৬৫ লক্ষ লোকের নাম বাদ পড়েছিল। ধাপে ধাপে সারা দেশে এই সংশোধনের কাজ শুরু হচ্ছে। সেইমতো প্রস্তুতিও শুরু হচ্ছে। বিহারে এসআইআর শুরু হয়েছিল ২৪ জুন এবং শেষ হয় ৩০ সেপ্টেম্বর। কমিশন চাইছে, বিহারের মতো ৪ মাস নয়, আরও কম সময়ের মধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে। সেই কারণে রাজ্যগুলিতে আগের ও বর্তমানেই ভোটার লিস্টও প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে।

সোমবার বিকেল ৪ টে ১৫ মিনিট থেকে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছে কমিশন। দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে হবে এই বৈঠক। কী বিষয়ে এই সাংবাদিক বৈঠক বা এই বৈঠকে কোনও ঘোষণা করা হবে কিনা, সে সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে কিছু জানানো হয়নি এখনও। তবে সূত্রের খবর অনুসারে, প্রথম দফার এসআইআর নিয়ে ঘোষণা হবে এই বৈঠকে। প্রথম দফায় দেশের ১০ থেকে ১৫টি রাজ্যের ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন করা হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে যেমন ঘোষণা করা হতে পারে, তেমনই তামিলনাড়ুতেও এসআইআর শুরুর ঘোষণা করা হবে। আগামী বছরের গোড়ার দিকেই পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতেও বিধানসভা হবে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরিতে এসআইআর শুরু হচ্ছে।
এসআইআরের জন্য যে যে নথি লাগবে সেগুলি হলো :
১. মাধ্যমিক বা তার বেশি যেকেনো শিক্ষাগত সার্টিফিকেট লাগবে।
২. বাড়ি বা জমির দলিল লাগবে।
৩. পাসপোর্ট লাগবে।
৪. ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে থাকা পোস্ট অফিস, ব্যাঙ্ক, জীবন বিমা নিগম বা স্থানীয় প্রশাসনের দেয়া কোনও নথি লাগবে।
৫. জন্মগত শংসাপত্র লাগবে।
৬. স্থানীয় প্রশাসনের তরফে যে পারিবারিক রেজিস্ট্রার দেওয়া হয়, সেটিও লাগবে।
৭. যাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারি বা রাজ্য সরকারি কর্মী ছিলেন, তাঁদের পরিচয়পত্র লাগবে।
৮. ফরেস্ট রাইট সার্টিফিকেট লাগবে।
৯. জাতিগত শংসাপত্র লাগবে।
১০. রাজ্য সরকার তরফ থেকে দেওয়া বাসস্থানের শংসাপত্র লাগবে।
১১. রাজ্য সরকারের তরফে যে বাসস্থানের শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে, সেটিও বৈধ নথি কিনা তা বিবেচনা করা হবে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে পরিচয়পত্র হিসেবে আধার কার্ডও দেখানো যাবে। কিন্তু নাগরিকত্বের প্রমাণের জন্য আধার কার্ডের সঙ্গে ওই ১১টি নথির মধ্যে একটি দেখাতে হবে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যে ব্যক্তিদের নাম নেই তাঁরা নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ হবেন অর্থাৎ ১১টি নথির মধ্যে কোনওটাই দেখাতে পারবেন না। তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications