সরকারি-বেসরকারি কর্মীদের ভোটদান নিশ্চিত করতে নতুন ভাবনা! পরিযায়ী ভোটারদের সমস্যার সমাধানে কমিটি কমিশনের
সরকারি-বেসরকারি কর্মীদের ভোটদান নিশ্চিত করতে নতুন ভাবনা! পরিযায়ী ভোটারদের সমস্যার সমাধানে কমিটি কমিশনের
পরিযায়ী (migrant) ভোটারদের সমস্যার সমাধানে করতে একটি কমিটি গঠন করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন (election commission)। এছাড়াও দূরবর্তী এলাকার ভোটের কথাও থাকবে। কমিটিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচকদেরও রাখা হবে। এমনটাই জানানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। পাশাপাশি শহুরে এলাকায় ভোটারদের মধ্যে ভোটদানে যে উদাসীনতা লক্ষ্য করা যায়, তার নিরসনে চিন্তাভাবনার কথাও জানিয়েছেন কমিশন।

শহুরে এলাকায় উদাসীনতা
নির্বাচন কমিশন লক্ষ্য করেছে, কোনও শহুরে এলাকার ২ কিমির মধ্যে ভোটদান কেন্দ্র স্থাপন করার পরেও কিছু কিছু মেট্রোপলিটান কিংবা শহুরে এলাকায় ভোটদানের হার যথেষ্টই কম। এব্যাপারে এর আগে কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, ভোটারদের যে জায়গায় ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে, সেই এলাকা থেকে শিক্ষা, কর্মসংস্থান এবং অন্য কারণে স্থানান্তরিত হতে হয়। ফলে ভোটের দিন তাঁদের ফেরত আসা কঠিন হয়ে পড়ে।

কমিশনের নোডাল অফিসার দাওয়াই
নির্বাচন কমিশন যেমন শহুরে এলাকায় ভোটদানে উদাসীনতা লক্ষ্য করেছে, ঠিক তেমনই সরকারি ও বেসরকারি কর্মীদের মধ্যে ও ভোট না দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করেছে। যা নিয়ে উপায়ও বের করেছে নির্বাচন কমিশন। বলা হয়েছে, সব কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি অফিস, কেন্দ্র ও রাজ্যের সব রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এবং ৫০০-র বেশি কর্মী থাকা বেসরকারি সংস্থায় ছুটি পেলেও ভোট না দেওয়ার কর্মীদের ভোট মুখী করতে নোডাল অফিসার নিয়োগ করতে বলা হবে। সাধারণভাবে কর্মীদের সুবিধার জন্য যেসব জায়গায় ভোট হয়, সেইসব জায়গায়ভোটের দিন ছুটি দেওয়া হয়।

পরিযায়ী ভোটারদের জন্য কমিটি
নির্বাচন কমিশনের তরফে দূরবর্তী এলাকার ভোটারদের সমস্য সমাধানের লক্ষ্যে নতুন ভাবনা চিন্তা করছে। পরিযায়ী ভোটারদের সমস্যার সমাধানে একটি কমিটি গঠন করা হবে। সেখানে ভোটার ছাড়াও রাজনৈতিক দলগুলিকে রাখা হবে। তারপর বিস্তারিত
আলোচনা করা হবে।

নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ
সাম্প্রতিক সময়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার উত্তরাখণ্ডের একটি প্রত্যন্ত ভোট কেন্দ্রে হাজির হয়ে, অবস্থার পর্যালোচনা করেন। পরে এই ধরনের বুথে যাওয়া ভোটকর্মীদের পারিশ্রমিক দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।কেননা কোনও কোনও ভোট কেন্দ্রে পৌঁছতে তিন দিন পর্যন্ত সময় লেগে যায়। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের এই ধরনের ভোট কেন্দ্রকে চিহ্নিত করতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এর আগে অবশ্য ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট নিয়ে যেতে বিশেষ ধরনের কেস তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এব্যাপারে আইআইটি-মাদ্রাজের সঙ্গে প্রযুক্তির সহযোগিতা নিয়ে কথাও হয় নির্বাচন কমিশনের।












Click it and Unblock the Notifications