পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট কি সত্যিই করা সম্ভব? স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কমিশন
একে করোনায় রক্ষা নেই আবার ওমিক্রন দোশর! আর দুইয়ের আঘাতে কার্যত ভয় বাড়ছে ধরাচ্ছে সংক্রমণ। একেবারে রেকর্ড গতিতে ছড়াচ্ছে মারণ করোনা। এই অবস্থায় পাঁচ রাজ্যের ভোট করানো নিয়ে ক্রমশ সংশয় তৈরি হচ্ছে। কিন্তু এখনই হাল ছাড়তে নারাজ
একে করোনায় রক্ষা নেই আবার ওমিক্রন দোশর! আর দুইয়ের আঘাতে কার্যত ভয় বাড়ছে ধরাচ্ছে সংক্রমণ। একেবারে রেকর্ড গতিতে ছড়াচ্ছে মারণ করোনা। এই অবস্থায় পাঁচ রাজ্যের ভোট করানো নিয়ে ক্রমশ সংশয় তৈরি হচ্ছে। কিন্তু এখনই হাল ছাড়তে নারাজ জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
আর তাই দফায় দফায় পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছেন কমিশনের আধিকারিকরা।

আর সেদিকে তাকিয়েই আজ বৃহস্পতিবার বর্তমান করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসলেন কমিশনের আধিকারিকরা। উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, পঞ্জাব, মনিপুর এবং উত্তরাখন্ডের বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে একেবারে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক হয়।
এই বৈঠকে কমিশনের আধিকারিকরা ছাড়াও ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ, এইমস ডিরেক্টর রনদ্বীপ গুলেরিয়া, এবং আইসিএমআর প্রধান বলরাম ভার্ঘব। এই পরিস্থিতি ভোট সম্ভব কিনা তা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা হয়। সুত্র মোতাবেক, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বর্তমান দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত ভাবে কমিশনের আধিকারিকদের জানিয়েছেন। কি হলে কি হতে পারে তা জানিয়েছেন।
শুধু তাই নয়, এই সময়ে বড় র্যালি-সভা কীভাবে বিপদ ডেকে আনতে পারে সে বিষয়ে কমিশনকে অবগত করা হয়। ওই বৈঠকে দ্রুত ভ্যাকসিনের উপর জোর দেওয়ার কথা বলা হয়। তবে বলে রাখা প্রয়োজন আজ বৃহস্পতিবারই কমিশনকে নীতি আয়োগের সদস্য ভিকে পাল কমিশনকে স্পষ্ট জানান, দেশে এই মুহূর্তে করোনার যা পরিস্থিতি তাতে একেবারেই বড় র্যালি কিংবা সভা করার উপযুক্ত সময় একেবারেই নয়।
এই বিষয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে ভেবে দেখার কথা বলেন পাল। শুধু তাই নয়, পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের নিরিখে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও কমিশনকে জানান তিনি। তবে এদিনের বৈঠকের আগেই স্বাস্থ্যমন্ত্রকের স্বাস্থ্য সচিব ভূষণের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন কমিশনের আধিকারিকরা। আর তা হয় ২৭ ডিসেম্বর।
সেই সময়ের দেশে করোনা পরিস্থিতি কি রয়েছে তা কমিশনকে ব্যাখ্য করে ছিলেন ভূষণ। আজ আবার পরিস্থিতি কতটা পাল্টেছে তা কমিশনের আধিকারিকদের কাছে তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা।
উল্লেখ্য, আজ ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত হয়েছেন ৯০, ৯২৮ জন। প্রায় ১ লক্ষের পথে এগোচ্ছে সংক্রমণ। গতকাল আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজারের কাছাকাছি ছিল। তার আগের দিন ছিল ৩৭ হাজারের কিছু বেশি। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। গোটা দেশেই করোনা ভাইরাসের থার্ড ওয়েভের সুনামি আছড়ে পড়েছে বলে মনে করছেন গবেষকরা।












Click it and Unblock the Notifications