সোনিয়ার ‘কর্নাটকের সার্বভৌমত্ব’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা জানতে চাইল কমিশন, নোটিশ কংগ্রেসকে
কর্নাটকের নির্বাচনের আগে সার্বভৌমত্ব নিয়ে মন্তব্যের জেরে সোনিয়া গান্ধীর বিরূদ্ধে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। প্রচারের শেষ দিনে এই ইস্যুতে তোলপাড় কর্নাটকের রাজ্য রাজনীতি। এই ইস্যুতে সোনিয়া গান্ধীর মন্তব্য নিয়ে কংগ্রেস সভাপতিকে নোটিশ করল নির্বাচন কমিশন।
বিজেপি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়ে কংগ্রেস ও কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রীর বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছিল। তার অদ্যাবধি পরেই বিজেপির অভিযোগকে মান্যতা দিয়ে নির্বাচন কমিশন নোটিশ জারি করল কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে।

কর্নাটকের সার্বভৌমত্ব মন্তব্য নিয়ে বিজেপি নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার পর কংগ্রেসের কাছে নোটিশ দিয়ে কমিশন জানতে চাইল সোনিয়া গান্ধীর করা ওই মন্তব্যের ব্যাখ্যা কী। কর্নাটকের সার্বভৌমত্ব নিয়ে সোনিয়া গান্ধীর মন্তব্যে কংগ্রেস কী ব্যাখ্যা দেয়, তা শুনেই ব্যবস্থা নেবে কমিশন।
বিজেপি চায় অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া হোক। নির্বাচন কমিশনও কালক্ষেপ করেনি। কর্নাটক নির্বাচনের দুদিন আগে কর্নাটকের সার্বভৌমত্ব ইস্যুতে ফায়দা লুটতে চাইছে বিজেপি। যখন প্রচার পর্ব শেষ হয়েছে, তখন নির্বাচন কমিশনে নালিশ করে জিগির তুলে রাখতে চাইছে তারা।

সোনিয়া গান্ধীর মন্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন, কংগ্রেস কর্নাটককে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চাইছে। আর তার একদিন পরেই বিজেপি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়। কংগ্রেস ও কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে চিঠি দেয়।
কংগ্রেসের তরফে ৬ মে একটি টুইটে সোনিয়া গান্ধীকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছিল- "কংগ্রেস কর্ণাটকের খ্যাতি, সার্বভৌমত্ব বা অখণ্ডতার জন্য কাউকে রেওয়াত করবে না।" তাঁর এই মন্তব্যে বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিশানা করছেন সোনিয়া গান্ধী ও কংগ্রেসকে। বিজেপি জানিয়েছে, কর্নাটকের কট্টর জাতীয়তাবাদী, শান্তিপ্রিয়, প্রগতিশীল জনগণকে উস্কে দেওয়ার জন্য এই ধরনের টুইট করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনকে লেখা চিঠিতে বিজেপি আরও উল্লেখ করেছে, কর্নাটকে যে সমতা, সম্প্রীতি এবং শান্তির পরিবেশ রয়েছে, তা বিঘ্নিত করতে এবং ভোটের রাজনীতি করতে কংগ্রেস উসকানি দিয়েছে। কিছু নির্বাচিত সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীর সমর্থন আদায়ই তাদের উদ্দেশ্য। তাদের উদ্দেশ্য ভারতীয় রাজ্যের অস্তিত্বকে ব্যাহত করা।
সোনিয়া গান্ধীর মন্তব্যকে দুর্ভাগ্যজনক ও অনুচিত বলে অভিহিত করে বিজেপি কর্নাটকের জনগণকে পরামর্শ দিয়েছে, "যারা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিলেন এবং যারা স্বাধীনতা পরবর্তী শিল্প, সংস্কৃতি, শিক্ষার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই ধরনের মন্তব্য তাদের অপমান।












Click it and Unblock the Notifications